বাজার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদে ২ কোটি টাকার প্রসাধনী বিক্রির আশা
ঈদে নতুন পোশাকের মতোই আরেক অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ প্রসাধনী। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদেশি প্রসাধনীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশিয় প্রসাধনীর চাহিদা বাড়ছে। এবার ঈদ ঘিরে অন্তত ২ কোটি টাকার প্রসাধনীর ব্যবসার আশা করছেন জেলার ব্যবসায়ীরা।

ঈদের বাকি মাত্র কয়েকদিন, জেলার বিপণিবিতানগুলোতে এরইমধ্যে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে। নতুন পোশাক কিনে সাজ-সজ্জায় প্রসাধনীর দোকানগুলোতে যাচ্ছেন ক্রেতারা। দোকানগুলোতে বেচাকেনাও বেড়েছে।

বিদেশি প্রসাধনীর তুলনায় দামে সস্তা এবং গুণগত মান ভালো হওয়ায় দেশিয় প্রসাধনীর বাজারও দিন দিন বড় হচ্ছে। রং ফর্সাকারী ক্রিম, ফেসওয়াশ, হেয়ার রিমুভারের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রসাধনীর দিকেই বেশি নজর ক্রেতাদের। তবে ঈদ সামনে রেখে সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হচ্ছে মেহেদী। এক্ষেত্রে দেশিয় প্রসাধনী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মমতাজ মেহেদীর চাহিদা বেশি। পাশাপাশি স্ক্র্যাব, ম্যাসাজ ক্রিম ও ফেসওয়াশের বিক্রি বেড়েছে।

ক্রেতারা বলেন, ‘বাইরের পণ্যের চেয়ে আমাদের প্রোডাক্টের মান এখন ভালো। তবে আরও বাড়ানো গেলে সবাই দেশিয় পণ্যের দিকে আকৃষ্ট হবে। ঈদে সবসময় মমতাজ মেহেদী ব্যবহার করা হয়।’

তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, অবৈধভাবে ভারতীয় প্রসাধনী চোরাচালানের ফলে দেশিয় প্রসাধনীর বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জনে দেশিয় প্রসাধনীগুলোর গুণগতমান আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান তারা।

সিটি সেন্টার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আসিফ ইকবাল খান বলেন, ‘আমরা চাই দেশিয় পণ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ুক। কারণ এতে আমাদের যে অর্থনৈতিক মন্দা চলছে তা দূর হবে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরে দুই শতাধিক প্রসাধনীর দোকান রয়েছে। এসব দোকানে প্রতিদিন গড়ে ২০ হাজার টাকার প্রসাধনী বেচাকেনা হচ্ছে। ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বেচাকেনা আরও বাড়বে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

এভিএস