কৃষি-শিল্পে ময়মনসিংহ অঞ্চলকে এগিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি

0

শিল্পায়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে পিছিয়ে আছে ময়মনসিংহ অঞ্চল। ভালুকা-ত্রিশালে কিছুটা শিল্পায়ন হলেও বিভাগের অন্য জেলাগুলোতে কোনো শিল্প-কারখানা গড়ে উঠেনি। আর এ নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন আসছে মনোনীত প্রার্থীরা।

ব্রহ্মপুত্রের তীরের প্রাচীন জনপদ ময়মনসিংহ। কৃষিই এ অঞ্চলের অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি। ধান, পাট, মাছ, শাকসবজি ও ফল চাষেই এখানকার মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরে।

জেলার একমাত্র শিল্পাঞ্চল ভালুকা। এখানে দেশি- বিদেশি প্রায় দুই শতাধিক শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। গার্মেন্টস, স্পিনিং, ডায়িং, ওষুধ, অটোমোবাইলসহ বিভিন্ন শিল্প কারখানায় লক্ষাধিক শ্রমিক কাজ করেন। তবে এখনও পরিকল্পিত শিল্পায়ন হয়নি।

২০১৮ সালে ঈশ্বরগঞ্জের রাজিবপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন হলেও এখনও কাজ শুরু হয়নি। তবে আগামীতে পরিকল্পিত শিল্পায়নে ভূমিকা রাখতে চান মনোনীত প্রার্থীরা।

ময়মনসিংহ-১১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু বলেন, ‘সরকারের উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে যারা বিনিয়োগ করতে চায় তাদেরকে আমরা সহযোগিতা করবো। আর বিগত দিনের মতো আগামীতেও শিল্প মালিকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’

ময়মনসিংহ-৮ আসনের প্রার্থী মো. আব্দুছ ছাত্তার বলেন, ‘এখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবো। এতে করে ঈশ্বরগঞ্জের অর্থনীতি আরও চাঙা হবে।’

ধান উৎপাদনে উদ্বৃত্ত অঞ্চল এই জেলা। চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি সারাদেশের চাহিদা মেটায়। মাছ উৎপাদনেও শীর্ষে রয়েছে ময়মনসিংহ। শুধু ময়মনসিংহে বাণিজ্যিক পুকুর ও মাছের প্রায় ৮৪ হাজার খামার রয়েছে। নির্বাচিত হলে কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনের পাশাাপাশি মাছ চাষী এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পাশে থাকতে চান নৌকার মনোনীত প্রার্থীরা।

এদিকে যমুনা পাড়ের জেলা জামালপুরে ইতোমধ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নানা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত বছর উদ্বোধন হওয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলে পুরোদমে শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের কাজ চলছে। তবে নেত্রকোণা ও শেরপুরে এখনও শিল্পায়নের ছোঁয়া লাগেনি। গ্যাস সংযোগ না থাকায় ধুঁকছে জেলার বিসিক শিল্প নগরী।

জামালপুর-৩ আসনের নৌকার প্রার্থী মির্জা আজম বলেন, ‘জামালপুরকে দেশের প্রথম স্মার্ট জেলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করবো। আর যেসব ক্ষেত্রে এখনও পিছিয়ে আছি সেদিকে বেশি নজর দিতে চাই।’