অনেকেই গানটির সুর, কথার গভীরতা ও ভিডিও নির্মাণের প্রশংসা করে একে বাংলা সংগীতের নস্টালজিক সৌন্দর্যের অনন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
গানটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে আলোচনা। কেউ একে ‘স্বর্ণযুগের বাংলা সিনেমার আবহ’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন, আবার কারও মতে গানটি শুনলে মনে হয় যেন মধ্যযুগীয় পানাম নগরের কোনো জমিদারবাড়ির গানের আসরে বসে আছেন।
ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র, লোকজ সুর এবং চিত্রায়ণের সমন্বয় শ্রোতাদের অতীতের এক মুগ্ধকর সময়ে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন অনেক নেটিজেন।
কোক স্টুডিও বাংলার ভাষ্য—‘পাতার বাঁশরি’ মূলত একটি প্রেমের গান, যেখানে ইতিহাস, লোকজ ঐতিহ্য ও সুর একসঙ্গে মিশে গেছে। গানের গল্পে দেখা যায়, প্রিয় মানুষের বাঁশির সুরে বারবার হৃদয়ের টান অনুভব করেন এক প্রেমিকা।
দূরে সরে যেতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত ভালোবাসার কাছেই ফিরে আসেন তিনি। সেই আবেগময় অনুভূতিকে গানের কথা ও সুরে ফুটিয়ে তুলেছেন ঈশান মজুমদার। গীত রচনায় তার সঙ্গে ছিলেন ইলিয়াস হোসেন।
গানটির সংগীতায়োজন করেছেন অদিত রহমান এবং পুরো সিজনটি কিউরেট ও প্রযোজনা করেছেন শায়ান চৌধুরী অর্ণব।
গানটিতে কোক স্টুডিওর স্টুডিও সেটের পরিবর্তে এবার ভিডিও ধারণ করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহাসিক সোনারগাঁওয়ের পানাম নগরে।





