ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত ইন্টার্ন নারী চিকিৎসকদের যৌন হয়রানি, শ্লীলতাহানি ও খারাপ আচরণ করার অভিযোগ ছিলো। এ ঘটনায় টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস বাদি হয়ে ইমনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো তিনজনের নামে মামলা দায়ের করেন।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কয়েকজন নারী ইন্টার্ন চিকিৎসক জানান, ইমন দীর্ঘদিন যাবত নারীদের যৌন হয়রানি, শ্লীলতাহানি ও খারাপ আচরণ করতো। তাকে মৌখিকভাবে একাধিকবার বারণ করা হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।
তারা জানান, ইমনের বিরুদ্ধে গত ৫ বছর যাবত অন্যান্য ইন্টার্ন নারী চিকিৎসকদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করতো। গত রোববার রাতে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে হাসপাতালের পরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করেন এক ইন্টার্ন চিকিৎসক। পরে গতকাল (সোমবার,২৬ জানুয়ারি) সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবু হানিফকে সভাপতি করে ৫ সদস্যদের তদন্ত কমিটি গঠন করে হাসপাতালের পরিচালক।
আরও পড়ুন:
এরপর গতকাল (সোমবার, ২৬ জানুয়ারি) দুপুরে হাসপাতালে বিষয়টি জানাজানি হলে ইমনকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে অন্যান্য চিকিৎসকরা। পরে পুলিশের কাছে ইমনকে সোপর্দ করে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিচারক পাঁচ দিনেরই মঞ্জুর করেন।’
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, ‘ইমনকে ইন্টার্ন চিকিৎসক থেকে প্রাথমিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়াও তার স্ত্রী ডা. নুরানী জান্নাত ঐশী স্বামী ইমনকে সমর্থন দেয়ায় তাকেও ইন্টার্ন চিকিৎসক থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার কথা রয়েছে।’





