সমিজ উদ্দিন জানান, চারটি রিং দ্বারা ভার্মি কম্পোস্ট তৈরি শুরু করেন তিনি। বর্তমানে তিনি ১২টি রিং ও একটি হাউজের মাধ্যমে মাসে অন্তত ৮০০ কেজি সার উৎপাদন করছেন। নিজের জমিতে ব্যবহারের পর বাড়তি সার ১২ থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন অন্যান্য কৃষকদের কাছে।
তিনি বলেন, ‘আমি এই মৌসুমে এক বিঘা জমিতে চিচিঙ্গা ও এক বিঘা জমিতে ঢেঁড়স চাষ করেছি। রাসায়নিক সার কমিয়ে দিয়ে আমি ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহার করায় আমার খরচ অর্ধেকে নেমে এসেছে। সেই সঙ্গে গাছের স্থায়িত্ব ও ফলন বেড়েছে। দুই বিঘা জমি থেকে এখন পর্যন্ত আমি এক লাখ টাকা লাভ করেছি। আরও অন্তত এক মাস আমি চিচিঙ্গা ও ঢেঁড়স বিক্রি করতে পারবো। আমার কাছে অন্য কৃষকরা এই সার কিনে নিয়ে যাচ্ছে। অনেকে উৎপাদনে আগ্রহ দেখাচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কাদের সরকার বলেন, ‘২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমরা ওই কৃষককে ভার্মি কম্পোস্টের একটি প্রদর্শনী দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি তার পরিশ্রম ও কর্মদক্ষতা দ্বারা সফলভাবে ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন ও তার নিজ জমিতে তা প্রয়োগ করে বাণিজ্যিক কৃষিতে লাভ করছেন। সমিজ উদ্দিন অন্য কৃষকদের জন্য উদাহরণ হতে পারেন।’
দেবীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাঈম মোর্শেদ বলেন, ‘আমরা এখন টেকসই কৃষির জন্য কাজ করে যাচ্ছি। জমিকে দীর্ঘদিন উর্বর রাখতে আমরা ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করছি। আমাদের কৃষকরা এই সার ব্যবহার করলে তাদের উৎপাদন খরচ যেমন কমবে তেমনি কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’





