প্রথম ধাপে কৃষিকার্ড পাচ্ছেন না পাবনার কৃষকরা; চলছে তালিকা প্রণয়ন

মাঠে কাজ করছেন কৃষকরা
মাঠে কাজ করছেন কৃষকরা | ছবি: এখন টিভি
0

কৃষিকার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক পাবে সরকারের দেয়া বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা। তাদের দাবি, মাঠপর্যায়ে তালিকা করে কার্ড দেয়ার। তবে প্রথম ধাপে কার্ড পাচ্ছেন না পাবনার কৃষকরা। কৃষি বিভাগ বলছে, সরকারের নির্দেশ মোতাবেক সাধারণ কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে।

দুইশো বছরের পুরনো পাবনা জেলার ৭৭ ভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এখানকার মাটির উর্বরতা ভালো হওয়ায় অর্থকারী ফসল পেঁয়াজ, রসুন, লিচুসহ বিভিন্ন শাকসবজির আবাদ হয়ে থাকে।

পাবনার কৃষক দুলাল হোসেন চারবিঘা জমিতে চাষ করেছেন- পেঁয়াজ। সার এবং বীজের উচ্চমূল্য উৎপাদন খরচ বেড়েছে তার। অনেক সময় ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হওয়ার কথাও জানালেন তিনি।

কৃষক দুলাল হোসেন বলেন, ‘চার বিঘা জমিতে পেঁয়াজ-রসুন চাষ করেছি। এতে সারে চার লাখ টাকার মতো খরচ গেছে। এতে যে দাম পাচ্ছি আমরা এতে খরচ উঠতেছে না।’

আরও পড়ুন:

অনেক কৃষকের একই দশা। প্রান্তিক কৃষকদের দাবি, তালিকা প্রণয়নে দুস্থ ও অসহায় কৃষকদের মাঝে এ কৃষি কার্ড বিতরণ করা হলে- তা কৃষকদের দুর্যোগ মোকাবেলায় ভূমিকা পালন করবে। তারা বলছেন, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে প্রকৃত চাষিদের হাতে যেন কৃষক কার্ড পৌঁছায়।

কৃষকরা জানান, ন্যায্যমূল্যে সার কিনতে পারিনি। এক বস্তা সারের দাম ২ হাজার ৬০০ টাকা, অন্যদিকে এক মণ রসুনের টাকা ১ হাজার ২০০ টাকা। কৃষক কার্ড পেলে তারা উপকৃত হবেন বলেও জানান তারা।

প্রকৃত কৃষকদের মাঝে যাতে কার্ড পৌঁছায়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে প্রাথমিক তালিকা প্রণয়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কাজ করছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

পাবনা খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক বলেন, ‘পাবনা জেলা এ মুহূর্তে কৃষি কার্ডের অন্তর্ভুক্ত নেই, কিন্তু আমরা সরকারের নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই কার্যক্রম শুরু করবো। আমরা কৃষকদের ডাটাবেজ সংগ্রহ করছি যেন উপযুক্ত কৃষকের হাতে কৃষি কার্ড যায়।’

কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি ভর্তুকিতে সার ও বীজ সহায়তা এবং কৃষি ঋণ সহায়তা সহজেই পাবেন।

এফএস