হাম উপসর্গ
হাম উপসর্গে এক দিনে ৫ শিশুর মৃত্যু

হাম উপসর্গে এক দিনে ৫ শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল থেকে আজ (বুধবার, ২২ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

গতকাল শুক্রবার থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ (শনিবার, ১১ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টার আরও ৪ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে আজ (শুক্রবার, ১০ এপ্রিল) সকাল পর্যন্ত চার শিশুর মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে বরিশালে দুজন, ময়মনসিংহে একজন ও সিলেটে একজনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাজশাহীতে বাড়ছে হাম উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর হার, নতুন ভর্তি শতাধিক

রাজশাহীতে বাড়ছে হাম উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর হার, নতুন ভর্তি শতাধিক

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে রোগী মৃত্যুর হার বাড়ছে। বাড়ছে উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যাও। গেল ৮ দিনে হাসপাতালটিতে হামের উপসর্গে ১৬ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন করে উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন শতাধিক। আজ (বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে দেশে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার, ৭ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ১২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

রামেকে কমেছে হাম উপসর্গের রোগী, এক দিনে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ শিশু

রামেকে কমেছে হাম উপসর্গের রোগী, এক দিনে বাড়ি ফিরেছে ৩৬ শিশু

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কমেছে হামের উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীর সংখ্যা। এক দিনে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৬ জন শিশু আর ভর্তি হয়েছে ১৪ জন। ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে দুইজন শিশুর। আজ (রোববার, ৫ এপ্রিল) দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ, আক্রান্ত ও চিকিৎসা নিয়ে ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস এ তথ্য জানান।