গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত থেকেই তাপমাত্রা দ্রুত কমতে শুরু করে। রাত ১২টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং তখন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, গত ৩০ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে এ মৌসুমে প্রথমবারের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর আবারও তাপমাত্রা কমে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, চলতি মাসজুড়েই এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে কুয়াশা কেটে রৌদ্রের আলো উঁকি দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তীব্র শীতের প্রভাবে জেলার জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবীদের দুর্ভোগ বেড়েছে। সকাল ও রাতের দিকে ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।
কৃষি বিভাগ জানায়, চলমান শৈত্যপ্রবাহের কারণে রবি মৌসুমের ধানের বীজতলা ও অন্যান্য শীতকালীন ফসলে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। প্রয়োজনীয় সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে কৃষকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
আবহাওয়া অধিদপ্তর ও কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে শীত মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।





