পাহাড়ধস
রাঙামাটিতে কাটেনি পাহাড়ধসের শঙ্কা; আশ্রয়কেন্দ্রে ২৩৬৬ মানুষ

রাঙামাটিতে কাটেনি পাহাড়ধসের শঙ্কা; আশ্রয়কেন্দ্রে ২৩৬৬ মানুষ

রাঙামাটিতে এখনো পাহাড়ধসের শঙ্কা কাটেনি। বৃষ্টি আর উজানের ঢলে বাঘাইছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। এরইমধ্যে জেলার ৮ উপজেলা ও দুই পৌর এলাকায় ৪০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২ হাজার ৩৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। জেলার ৬ উপজেলায় ছোটবড় ১২৫টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বৃষ্টির স্রোতে নিখোঁজ হয়ে জেলার মগবান ও বিলাইছড়ির ফারুয়ায় দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা-পাহাড়ধস: সেনাবাহিনীর উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম চলছে

পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যা-পাহাড়ধস: সেনাবাহিনীর উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম চলছে

পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাসমূহের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে।

রাঙামাটিতে অতি বৃষ্টিতে বন্যা-পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪২৬৫ জন মানুষ

রাঙামাটিতে অতি বৃষ্টিতে বন্যা-পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪২৬৫ জন মানুষ

রাঙামাটিতে অতি বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে জেলার ৮ উপজেলা ও দুই পৌর এলাকায় ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ২৬৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। বন্যার পানিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় বাঘাইছড়ি, সাজেক ও রাঙামাটি-খাগছড়ির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া পাহাড় ধসের শঙ্কা তো আছেই। তবে এরই মধ্যে জেলার ৬ উপজেলায় ছোট-বড় প্রায় ১০০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য রাঙামাটি জেলা প্রশাসন জরুরি কন্ট্রোলরুম স্থাপন করেছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে নিহত ৮

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে নিহত ৮

টানা বর্ষণে কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে অন্তত আট রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। এদিকে কক্সবাজার শহরে পাহাড় ধসে নিহত হয়েছে একজন।

রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ২৬৭ আশ্রয়কেন্দ্র

রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ২৬৭ আশ্রয়কেন্দ্র

রাঙামাটিতে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসের আশঙ্কায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের জারি করা সতর্কবার্তায় পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নেমেছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। এরই মধ্যে থেমে থেমে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় পাহাড়ধসের সতর্কতা জানিয়ে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে দেয়া হয়েছে নির্দেশনা। প্রয়োজনীয় ত্রাণ মজুদ ও জেলাশহরসহ জেলার ১০ উপজেলায় প্রস্তত রাখা হয়েছে ২৬৭টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র।

চট্টগ্রাম কেইপিজেডে পাহাড়ধসে দুই স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু

চট্টগ্রাম কেইপিজেডে পাহাড়ধসে দুই স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু

চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলায় অবস্থিত কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে (কেইপিজেড) পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে দু’জন নিহত ও আরো দু’জন আহত হয়েছেন।

পাহাড় ধসে মাটি চাপায় ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

পাহাড় ধসে মাটি চাপায় ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

কক্সবাজার শহরের বাদশাঘোনা এলাকায় পাহাড় ধসে মাটি চাপায় ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন ওই এলাকার মো. আনোয়ার হোসেন (২৬) ও মাইমুনা আক্তার (২০)।

চট্টগ্রামে বেড়েই চলছে পাহাড়ধসের ঘটনা

চট্টগ্রামে বেড়েই চলছে পাহাড়ধসের ঘটনা

২০০৭ সালের ১১ জুন চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে সর্বোচ্চ ১২৭ জনের প্রাণহানির পরে গঠন করা হয় শক্তশালী পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটি। ওই কমিটি ৩৬টি সুপারিশ করলেও বেশিরভাগই বাস্তবায়ন হয়নি। এদিকে, বৃহস্পতিবার থেকে চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ অবস্থায় দেখা দিয়েছে পাহাড়ধসের শঙ্কা। দুর্ঘটনা এড়াতে নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে প্রতিবছরেই মতো জরুর সভা করেছে জেলা প্রশাসন।