
বাংলাদেশে ঈদ কবে? যেদিন জানা যাবে
রমজানের শেষ দশকের শুরু থেকেই দেশবাসীর মনে একটিই প্রশ্ন—'কবে ঈদ?' (When is Eid?)। এই প্রশ্নের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত জবাব মিলবে আগামী ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার)। এদিন সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন (Islamic Foundation) বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি (National Moon Sighting Committee) বৈঠকে বসবে। শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই সেখান থেকে ঈদের ঘোষণা আসবে।

বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে? পূর্বাভাসে যা জানা গেলো
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর (Holy Eid-ul-Fitr) কবে উদযাপিত হবে, তা নিয়ে দেশজুড়ে কৌতূহল শুরু হয়েছে। এই মাহেন্দ্রক্ষণ নির্ধারণে আগামী ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) বৈঠকে বসছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি (National Moon Sighting Committee)। রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ওইদিন সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিতব্য এই সভা থেকেই ঈদের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে।

চন্দ্রগ্রহণে গর্ভবতী নারীদের সতর্কতা ও প্রচলিত কুসংস্কার: কী বলে ইসলাম ও বিজ্ঞান?
মহাকাশ বিজ্ঞানের অন্যতম রোমাঞ্চকর দৃশ্য হলো চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse)। যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী চলে আসে এবং পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে, তখনই ঘটে এই মহাজাগতিক ঘটনা। তবে এই বিজ্ঞানসম্মত বিষয়টিকে ঘিরে যুগ যুগ ধরে আমাদের সমাজে, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের (Pregnant women) নিয়ে নানা রকম ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কার (Superstitions) ডালপালা মেলেছে।

বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ মঙ্গলবার, বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?
আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংঘটিত হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ (First Solar Eclipse of the Year)। মহাজাগতিক এই দৃশ্য দেখার অপেক্ষায় মুখিয়ে আছে বিশ্ববাসী। এবারের গ্রহণটি হবে বলয়াকার সূর্যগ্রহণ (Annular Solar Eclipse), যা আকাশপ্রেমীদের কাছে ‘রিং অব ফায়ার’ (Ring of Fire) বা আগুনের বলয় নামে পরিচিত।

১৭ ফেব্রুয়ারি সূর্যগ্রহণ, বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?
মহাকাশ প্রেমীদের জন্য অধীর অপেক্ষার সময় ঘনিয়ে আসছে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি আকাশে দেখা যাবে এক বিরল দৃশ্য— বলয়াকার সূর্যগ্রহণ (Annular Solar Eclipse)। জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘রিং অব ফায়ার’ (Ring of Fire) বলা হয়। চাঁদ যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে এসেও সূর্যকে পুরোপুরি ঢাকতে পারে না, তখনই সূর্যের চারপাশে আগুনের বলয়ের মতো এই দৃশ্য তৈরি হয়।

সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোলে ১০ ট্রিলিয়ন সূর্যের উজ্জ্বলতার সমান দূরবর্তী তরঙ্গ রেকর্ড!
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাকহোলের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং দূরবর্তী ব্ল্যাক হোল ফ্লেয়ার বা ব্ল্যাক হোল থেকে নির্গত বিশাল শক্তির ঝলকানি রেকর্ড করেছেন। যা সূর্যের চেয়ে ১০ ট্রিলিয়ন গুণ বেশি উজ্জ্বল। যা প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন সূর্যের সম্মিলিত উজ্জ্বলতার সমান!

চলতি বছরের সবচেয়ে বড় সুপারমুন ‘বিভার’
চলতি বছরের সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল চাঁদ বা সুপারমুন দেখা গেছে গত (বুধবার, ৫ নভেম্বর)। এ বছরের তিনটি সুপারমুনের মধ্যে এটি দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে কাছের। যা ‘বিভার মুন’ নামে পরিচিত।

ভিনগ্রহের গোয়েন্দা যান? সূর্যের পথে ‘অ্যাটলাস’
গ্রহাণুর মতো দেখতে নতুন কোনো বস্তু শনাক্ত করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। হতে পারে ধূমকেতুও। বলা হচ্ছে, এর উৎস সৌরজগতের বাইরে। সত্যি হলে পৃথিবীর নক্ষত্রমণ্ডলে এটি তৃতীয় মহাজাগতিক অনুপ্রবেশের ঘটনা। সূর্যের দিকে ক্রমশ এগোচ্ছে বস্তুটি। হার্ভার্ড গবেষক এভি লোয়েবের দাবি, থার্টি ওয়ান অ্যাটলাস নামের এ বস্তুটি কোনো গোয়েন্দা অভিযানের লক্ষে তৈরি করেছে ভিনগ্রহের বাসিন্দারা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ দেখলো ‘স্ট্রবেরি মুন’
ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গতকাল বুধবার (১১ জুন) রাতে দেখা গেলো ‘স্ট্রবেরি মুন’। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দেয়া তথ্য বলছে, এটি মূলত জুন মাসের পূর্ণিমার চাঁদ। প্রায় ১৯ বছর পর পর মানুষ অনেক কাছ থেকে এটি দেখতে পায়।

আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর পৃথিবীতে আসছে মিনি মুন
পৃথিবীর মহাকর্ষীয় টানে কক্ষপথে দুই মাসের জন্য বাঁধা পড়বে একটি গ্রহাণু। পৃথিবী পাবে নতুন চাঁদ। বিশ্ববাসী মহাজাগতিক এই ঘটনার সাক্ষী হবে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর। তবে এই মিনি মুন দেখতে প্রয়োজন পড়বে জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ব্যবহৃত টেলিস্কোপ।