
ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা; বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ার নিয়ে শঙ্কা
হরমুজ প্রণালি ছাড়াও ইরান যুদ্ধের স্পটলাইট হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি খাত। এবার ইরানের ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানির টার্মিনাল খ্যাত খারগ দ্বীপে মার্কিন সেনাদের হামলায় ওয়াশিংটন-তেহরান উত্তেজনা আরও বাড়লো। এতে জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাগুলো ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে তেলের দর আরও বাড়ার শঙ্কা বিশ্লেষকদের।

কাতার–যুক্তরাষ্ট্রে ‘ফাটল ধরানোর চেষ্টা’ দাবি দোহারের
এলএনজি উৎপাদন বন্ধ করে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম প্রভাবিত করার অভিযোগ নাকচ করেছে কাতার। ইসরাইলি গণমাধ্যমের একটি অংশে এমন দাবি ওঠার পর দোহা বলেছে, এটি কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‘ফাটল ধরানোর চেষ্টা’। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুদ্ধের প্রভাবে রুশ তেল কেনায় অস্থায়ী অনুমোদন দিলো ওয়াশিংটন
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইল যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানির দাম বাড়তে থাকায় রাশিয়ার ওপর আরোপিত তেল নিষেধাজ্ঞায় সাময়িক শিথিলতা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সমুদ্রে এরইমধ্যে অবস্থানরত রুশ তেল ও পেট্রোলিয়াম কিনতে দেশগুলোকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, যুদ্ধকালীন সময়ে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা আনতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ অনুমোদন ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এমনটাই জানা যায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে।

জ্বালানি বাজার ‘গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে’: আইইএ প্রধান
ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল আজ (বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ) বলেছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার বর্তমানে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে’ রয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিড ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।