
কুমিল্লায় বিদ্যুৎ বিল বাকি প্রায় দেড়শো কোটি টাকা; বড় অংশই জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের
লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। ব্যাহত হচ্ছে সেচকাজও। এরমধ্যেই কুমিল্লা অঞ্চলের ছয় জেলায় বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে জমেছে প্রায় দেড়শো কোটি টাকার বকেয়া বিল। যার বড় অংশই সরকারি ও জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের।

মৌলভীবাজারে কালবৈশাখি ঝড়ে পল্লী বিদ্যুতের লাইন-সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষতি
গত দুই দিনে মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার, কুলাউড়া, কমলগঞ্জ ও বড়লেখা উপজেলায় কালবৈশাখি ঝড়ের তাণ্ডবে বৈদ্যুতিক লাইন ও সরঞ্জামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ও বিভিন্ন জায়গায় খুঁটি ভেঙে পড়ে নষ্ট হয়েছে ট্রান্সফরমারসহ মূল্যবান সরঞ্জামের।

নরসিংদীতে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের যন্ত্রাংশ লুট
নরসিংদীতে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রহরী ও লাইনম্যানকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তামার তার, ডিসকানেক্ট সুইচের ব্লেড, কন্ট্রোল প্যানেল ক্যাবল ও রাইজারের তার লুটের অভিযোগ উঠেছে।

বরগুনায় লোডশেডিংয়ে বরফ উৎপাদন ব্যাহত, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ
বরগুনার পাথরঘাটায় চরম আকার ধারণ করেছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। লোডশেডিং ও লো ভোল্টেজের ফলে বরফ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনে গ্রিড উপকেন্দ্র স্থাপনের কথা জানায় পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

পল্লী বিদ্যুতের বিচ্ছিন্ন ৮০ শতাংশ গ্রাহককে পুনঃসংযোগ
ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) এর ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিচ্ছিন্ন হওয়া ৮০ শতাংশ গ্রাহকের মধ্যে বিদ্যুৎ পুনঃসংযোগ সম্পন্ন হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় রিমাল: ফেনীতে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন সাড়ে ৪ লাখ মানুষ
প্রবল শক্তি নিয়ে উপকূল অতিক্রম করছে ঘূর্ণিঝড় রিমাল। উপকূলীয় জেলা ফেনীতে এর প্রভাবে রাত থেকেই তীব্র ঝড়ো হওয়া ও বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ লাইনে গাছপালা উপড়ে পড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে জেলায় পল্লী বিদ্যুতের ৪ লাখ গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড ফেনী
কালবৈশাখী ঝড়ের ৪৫ ঘণ্টা পরও স্বাভাবিক হয়নি ফেনীর কয়েকটি এলাকার পরিস্থিতি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী বিদ্যুতের অবকাঠামো। ভেঙে গেছে ১১৭টি বৈদ্যুতিক খুঁটি। বিদ্যুৎহীন ২ লাখের বেশি গ্রাহক। গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় স্থানীয়দের দুর্ভোগ চরমে।

বিদ্যুৎ নেই, সেচের পানি পাচ্ছে না ভোলার কৃষক
ভোলায় বোরো মৌসুমে পানি সংকটে ব্যাহত সেচ কার্যক্রম। বিদ্যুতের অভাবে মিলছে না সেচের পানি। ফলে নষ্ট হচ্ছে বোরোর বীজতলা। এতে বিপাকে পড়েছেন দুই গ্রামের দেড় শতাধিক কৃষক। কৃষকদের দাবি পল্লী বিদ্যুতের খামখেয়ালিতে হচ্ছে এমনটা।