শেষ ষোলোর সবচেয়ে হাই ভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি স্পেন ও পর্তুগাল। হারলেই নিতে হবে বিদায়, এমন সমীকরণকে সামনে রেখে সাবধানী শুরু দুই দলের। তবে সুযোগ বুঝে আক্রমণের চেষ্টাতেও ছিল না কমতি।
ম্যাচের ৯ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল বাইরে মারেন স্পেনের মিকেল ওইয়ারজাবাল। মিনিট তিনেক পর রোনালদোর জোরালো শট ঠেকান উনাই সিমন। ১৭ মিনিটে স্পেনের আক্রমণে পরপর ডাবল সেভ করে দলকে রক্ষা করেন পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। প্রথমার্ধের শেষদিকে পর্তুগালের দলীয় প্রচেষ্টা উনাই সিমনের নৈপুণ্যে দেখেনি আলোর মুখ।
ম্যাচের ৫৬ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন পর্তুগালের নুনো মেন্ডেস। দ্বিতীয়ার্ধের বাকি সময় কোনো দলই উল্লেখযোগ্য আক্রমণ করেনি। টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে একে অপরকে কার্যত আটকে রেখেছিল স্পেন ও পর্তুগাল। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছিল অতিরিক্ত সময়েই গড়াবে ম্যাচ।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়েই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন স্পেনের দুই বদলি খেলোয়াড়। ৯০ মিনিট পেরোতেই দ্রুত নেওয়া একটি ফ্রি-কিকে বল পেয়ে যান ফেরান তোরেস। বল নিয়ন্ত্রণে এনে মিকেল মেরিনোর উদ্দেশে দারুণ এক থ্রু পাস বাড়ান তিনি। তার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়াতেই লেখা হয়ে যায় ম্যাচের ভাগ্য।
শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন, একইসঙ্গে নিশ্চিত করে কোয়ার্টার ফাইনাল। এই বিশ্বকাপে এখনো একটিও গোল হজম করেনি লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। সব মিলিয়ে টানা ৬ ম্যাচ ও ১০ ঘণ্টা ৯ মিনিট ধরে বিশ্বকাপে গোল হজম করেনি স্প্যানিশরা, যা একটি নতুন রেকর্ড।
এই হারে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। বেশ শক্ত স্কোয়াড নিয়ে বিশ্বকাপে এলেও চোখের জলেই আসর থেকে বিদায় নিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।





