মেসির নেতৃত্বে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নের টাইটেল কি ধরে রাখবে আর্জেন্টিনা? নাকি নেইমার- ভিনির ফুটবল শৈলিতে ২৪ বছর পর শিরোপার খরা কাটিয়ে হেক্সা মিশন পূরণ করবে ব্রাজিল। এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর শুরুর আগেই উন্মাদনায় মাতছেন বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবল ভক্ত।
এছাড়া দ্যা গ্রেটেস্টে শো অন আর্থ ঘিরে ফুটবল ভক্তদের স্বাগত জানাতে ও হোটেল বুকিং- টিকিট বিক্রিসহ সার্বিক অর্থনীতিকে লাভবান করতে যখন প্রস্তুতি নিচ্ছে আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেকিক্সো, তখন সম্পূর্ণ নেতিবাচক ধারার খবর জানাচ্ছে বিভিন্ন জরিপ সংস্থা।
ব্রিটিশ জরিপ সংস্থা ইউকেজির গবেষণা বলছে, টুর্নামেন্ট চলার সময় কর্মীদের মনোযোগ ধরে রাখতে হিমশিম খেতে হবে বিশ্বের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানগুলোকে। সংস্থাটি আয়োজক তিন দেশসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আট হাজার কর্মীর ওপর সমীক্ষা চালিয়েছে। টুর্নামেন্ট চলার সময় কর্মীদের উৎপাদনশীলতা হ্রাস পাওয়ায়, মোট আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হয়েছে ফলে প্রায় ১৭ বিলিয়ন ডলার। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই উৎপাদন হ্রাস পেতে পারে প্রায় ১১.৭ বিলিয়ন ডলার। আর এর পরেই রয়েছে জার্মানি, যেখানে ক্ষতির পরিমাণ ১.৩৪ বিলিয়ন ডলার।
আরও পড়ুন:
আরও অবাক করা খবর হলো ২৭ শতাংশ কর্মী অফিসের কর্মঘণ্টা কমিয়ে কিংবা একেবারেই অফিসে না এসে ফুটবল আনন্দে মাততে পারেন। আর গবেষণায় ১১ শতাংশ স্বীকার করেছেন যে তারা ফুটবলের চিন্তা মাথায় রেখেই কাজ করবেন এবং কর্মস্থলে গোপনে ম্যাচ ও হাইলাইটস দেখবেন বলে জানিয়েছেন ১৪ শতাংশ কর্মী। এমনকি ৩৭ শতাংশ কর্মী টুর্নামেন্টের জন্য তাদের কাজের সময়সূচি পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করছেন।
শুধু তাই নয়, প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিশ্বকাপ ফুটবলের আকর্ষণ থেকে মুক্ত নন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, খেলা দেখতে একদিনের ছুটি নেয়ার পরিকল্পনা করেন ৪২% ম্যানেজার। তবে দেখার বিষয় ফুটবল নিয়ে এই উন্মাদনার মধ্য দিয়ে মালিকপক্ষ তাদের কর্মীদের আড্ডা কতটুকুই বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।




