গত ৭ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন মাসুম। তার ভাষ্য, মার্শাল আর্টের আসন্ন একটি প্রতিযোগিতার জন্য সরকারি বরাদ্দের বিষয়ে আলোচনা করতে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে যান। সেখানে ক্রীড়া পরিচালক জাহিদ পারভেজ চৌধুরীর সঙ্গে আলোচনার একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মাসুমের দাবি, এসময় তার ব্যাগে থাকা এক লাখ ৭৫ হাজার টাকাও জোরপূর্বক নিয়ে নেয়া হয়। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার বর্ণনা দিয়ে গোলাম সাব্বির মাসুম বলেন, ‘জাহিদ পারভেজ ছিলেন। তিনি নিজেই ডেকে পাঠিয়েছিলেন আমাকে ওখানে। এরপর সঙ্গে ওখানে আরও দুইজন ছিলেন। তারপর অন্য জায়গা থেকে কল করে আরও দুই-তিনজনকে ডেকে আনা হয়।’
টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘কাগজপত্র আর ক্রীড়াসামগ্রী কেনার জন্য নগদ ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা আমার ব্যাগে ছিল। এসবকিছু তারা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়েছে।’
আরও পড়ুন:
এ ঘটনায় মার্শাল আর্ট অঙ্গনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার নিন্দা জানানো হয় এবং অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়।
কনফেডারেশনের সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের মিয়া বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে যে, আমাদের এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে। কর্মকর্তাদের কাছে এ চিঠি গেছে, এখন তারাই এটা বিবেচনা করবে।’
এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন মাসুম। এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি পুলিশি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে তিনি ক্যামেরার সামনে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ক্রীড়া পরিচালক জাহিদ পারভেজ চৌধুরী বলেন, ‘একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে অর্থের জন্য আমার আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল। নতুন কমিটি গঠনের বিষয়টি সামনে আসায় আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’
ফোনে তিনি বলেন, ‘একটা গ্রুপ টাকার জন্য আমার আশপাশে অনেক দিন ধরে ঘুরছিল। এখন তারা বুঝতে পারছে যে, নতুন একটা কমিটি হবে। এজন্যই তারা এরকম প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। অভিযোগ যে কেউ করতে পারে। তবে সত্যতার ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। আমি বলেছি আইনিভাবে ব্যবস্থা নেব।’





