বছরের পর বছর যায়। বদলায় প্রজন্ম। শুধু বদলায় না বাংলাদেশের ফুটবলে স্ট্রাইকার সংকটের আক্ষেপ।
সামনে আরেকটা সাফ, আরেকটা স্ট্রাইকার সংকটের গল্প। থমাস ডুলি এরই মধ্যে গোল স্কোরারের জায়গায় রীতিমতো ল্যাবরেটরিই বানিয়ে ফেলেছেন নিজের ৪ ম্যাচে। ফারহান, সুকি, রাকিব, মোরসালিন, ফাহমিদুল তো বটেই, ডিফেন্ডার বিশ্বনাথকেও পরখ করেছেন প্রতিপক্ষের গোলবারের সামনে। তবে আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি কেউই।
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ স্কোয়াডে কোনো স্ট্রাইকার না থাকাটাই সাফের আগে বাংলাদেশকে বেশি ভোগাবে বলে মত সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলির। সেইসঙ্গে বর্তমান স্কোয়াডের কাউকেই গোলস্কোরার হিসেবে দক্ষ মনে করছেন না তিনি।
বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক জাহিদ হাসান এমিলি বলেন, ‘যারা ঘরোয়া ফুটবলে যারা খেলছে স্ট্রাইকার বা রোনাভান সোলিভান কার কথা বলব? আমি তো এই মুহূর্তে আসলে স্ট্রাইকার ওইভাবে দেখছে না, মিরাজুল রয়েছে। তো এরাই কিন্তু আসলে স্ট্রাইকিং পজিশনে হয়তো নেক্সট সাফের স্কোয়াডে থাকবে। কিন্তু এরা আসলে কতটা ক্যাপিটালাইজ করতে পারবে, সেটা কিন্তু আমরা যখন সাফ শুরু হবে তখন আমরা দেখতে পারব। এর বাইরে আসলে আমি আসলে তেমন কাউকে দেখছি না, যাদেরকে নিয়ে থমাস ডুলি আসলে আশাবাদী হতে পারবে।’
এসব নামের ভিড়ে রোনান সুলিভানে সমস্যার সমাধান দেখছেন জাহিদ হাসান এমিলি। যদিও রোনান কতদিন অনুশীলনের সময় পাচ্ছেন, সেটাই ভাবনা সাবেক নাম্বার নাইনের।
জাহিদ হাসান এমিলি বলেন, ‘বেস্ট অপশন যেহেতু রোনাভান সোলিভানই আছে, আমি মনে করি রোনাভানকে আপনাকে রেডি করতে হবে। এখন রোনাভানকে আপনি কবে পাচ্ছেন? আপনি যদি ২৫ তারিখ ক্যাম্প থেকে পান, ছয়টা-সাতটা সেশনে যদি আপনি তাকে নিয়ে কাজ করতে পারেন, তখন কিন্তু আপনার দলটা কিন্তু কিছুটা হলো হেল্প পেতে পারে।’
ফরোয়ার্ড লাইনে লম্বা সময় ধরে চলা এই সংকট সমাধানে দেশি কোন স্ট্রাইকারই সমাধান হতে পারেননি। এমিলির চাওয়া দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় লিগ থেকেও উঠে আসুক নতুন কোনো গোলস্কোরার।





