মাদ্রিদ ডার্বি মানেই মাঠের ভেতরে আর বাইরের তীব্র স্নায়ুযুদ্ধ। ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোতে ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল সেই পরিচিত উত্তাপ। তবে প্রথম অর্ধে দুই দলের আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণের পরও গোলের দেখা মেলেনি।
বিরতির পরপরই ডার্বির আসল নাটকীয়তা। ৫২ মিনিটে ডি-বক্সের ভেতর ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন রিয়াল মাদ্রিদ ডিফেন্ডার ডেন হুইসেন। ১০ জনের দলে পরিণত হয় 'লস ব্লাঙ্কোসরা।
পেনাল্টি পেয়ে ভুল করেননি অ্যালেক্স গ্রিমালদো। নিখুঁত শটে অ্যাতলেটিকোকে ১-০ গোলে এগিয়ে দিয়ে গ্যালারিতে থাক দর্শকদের আনন্দের জোয়ার ভাসান তিনি।
একজন কম আর ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে কৌশলের পরিবর্তন আনতে জোড়া পরিবর্তন করেন রিয়াল বস মরিনিও। মিডফিল্ডের শক্তি আর্দা গুলের আট্যাকিং থেকে ভিনিকে উঠিয়ে মাঠে নামান বার্নাডো সিলভা আর দিওমান্দেকে।
হোসে মরিনিওর শিষ্যরা লাল কার্ডরে ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আবারও আঘাত। ঠিক ৬ মিনিট পর, সিমিওনের পাস থেকে জোনাথন ডেভিডের ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন হয় ২-০। ম্যাচের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ তখন অ্যাতলেটিকোর হাতে।
তবে তখনও লড়াই থামায়নি লসব্লাঙ্কসরা। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে গোল করে রিয়ালকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা আন্টোনিও রুডিগারের। নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত ৬ মিনিটেও ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখছিল মরিনিওর দল। তবে আজ আর কামব্যাক হলো না।
শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সিমিওনের দল। মাদ্রিদ ডার্বির এই ঐতিহাসিক জয়ে লা লিগার পয়েন্ট টেবিলে রিয়াল মাদ্রিদকে সরিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।





