এয়ার-কন্ডিশন্ড স্টেডিয়ামেও বাধ্যতামূলক বিরতি, কিংবা ফাইনালের প্রথমার্ধ শেষে দীর্ঘ বিরতিকে খেলার স্বার্থে নয়, বরং বিজ্ঞাপনী সুবিধার কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন লা লিগা প্রধান হাভিয়ার তেবেস। শুধু তাই নয়,ইতালীয় সংবাদপত্র লা গাজ্জেত্তা দেল্লো স্পোর্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তেবেস দাবি করেন, ফিফা পুরো ফুটবল শিল্পকে ধ্বংস করছে এবং ইনফান্তিনোর সময় এখন শেষ তার পদত্যাগ করা উচিৎ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
লা লিগা সভাপতি হাভিয়ার তেবেস বলেন, আমার মতে, হ্যাঁ, আমি মনে করি তার সময় শেষ। তাঁর থাকা উচিত নয়, তবে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে তিনি পদত্যাগ করবেন না। সেখানে কোনো বিরোধী প্রার্থী নেই, কেউ শুধু হেরে যাওয়ার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় না
সাক্ষাৎকারে উঠে আসে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রাইকার ফোল্যারিন বালোগুনের স্থগিত হওয়া নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিও। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে ফিফার নিয়ম শিথিল করার কঠোর সমালোচনা করে উয়েফাও। আর তেবেসের মতে, রাজনৈতিক চাপের কাছে ফিফার মাথা নোয়ানোর এই ঘটনা ইনফান্তিনোর চাকরিও কেড়ে নিতে পারতো
হাভিয়ার তেবেস বলেন, আমেরিকান খেলোয়াড়ের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা অত্যন্ত গুরুতর বিষয় ছিল। তারা ভাগ্যবান যে বেলজিয়াম যুক্তরাষ্ট্রকে বিদায় করেছে, তা না হলে এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারতো যা ইনফান্তিনোর চাকরি কেড়ে নিতে পারতো। ফিফা নিজের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেয়, ফুটবলের জন্য নয়।
ইউরোপীয় ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা উয়েফা প্রধানও ফিফার এসব সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালেও অনুপস্থিত ছিলেন । আর ভবিষ্যতে ৬৪ দলের টুর্নামেন্ট আয়োজনের চিন্তাকে দায়িত্বজ্ঞানহীন আখ্যা দিয়ে লা লিগা প্রধান বলেন, ৪০ দিনের টুর্নামেন্টের জন্য সারা বছর হাজার হাজার কর্মসংস্থান জোগানো ঘরোয়া লিগগুলোকে বলি দিচ্ছে ফিফা। ফুটবলের সার্বিক স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা কমানোর দাবিও জানান তিনি। ফুটবলের ঐতিহ্য নাকি বাণিজ্যের মোড়ক—ইনফান্তিনোর অধীনে ফিফার ভবিষ্যৎ এখন বড় প্রশ্নের মুখে





