একদিকে দুর্ভেদ্য রক্ষণ, অন্যদিকে বিধ্বংসী আক্রমণ। একদিকে তরুণ প্রতিভার ঝলক, অন্যদিকে বিশ্বজয়ী অভিজ্ঞতা। বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে এবার মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই মহাশক্তি স্পেন ও ফ্রান্স।
ডালাসের মঞ্চে নামার আগে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর লা রোহা। পুরো টুর্নামেন্টে মাত্র এক গোল হজম করেছে স্পেন। বল দখল, গতি আর নিখুঁত পাসিংয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখাই তাদের শক্তি। আর সেই আক্রমণের অন্যতম বড় অস্ত্র ১৭ বছর বয়সী লামিন ইয়ামাল। বয়স কম হলেও বড় ম্যাচে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন এ তরুণ তারকা।
তবে সামনে যে দল, তাদের নাম ফ্রান্স। যাদের আক্রমণভাগে আছে ভয়ংকর গতির দুই তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলে। গোলের পর গোল করে ফরাসিদের এগিয়ে নিচ্ছেন তারা। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে দিদিয়ের দেশমের দল।
স্পেনের বিপক্ষে লড়াইটা শুধু দুই দলের নয়, দুই দর্শনেরও। স্পেনের নিখুঁত ফুটবল বনাম ফ্রান্সের গতি ও শক্তির সমন্বয়। আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ইয়ামালের জাদু থামাতে পারবে কি ফরাসি রক্ষণ?
ইব্রাহিমা কোনাতে বলেন, ‘আমরা শুধু একজন খেলোয়াড়কে নিয়ে ভাবছি না। স্পেন পুরো দল হিসেবেই খুব শক্তিশালী। আমাদের নিজেদের সেরাটা দিতে হবে।’
২০২৩ সালের মার্চের পর থেকে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ৯০ মিনিটে হারেনি স্পেন। বার্সেলোনার বিস্ময়বালকলামিন ইয়ামাল শুরুর একাদশে থাকলে গত ২৬ ম্যাচে অপরাজিত স্পেন। ৩৮ বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে ১৮টিতে জয় স্পেনের ১৩টিতে ফ্রান্স। বিশ্বকাপের ইতিহাসে ২০০২ সালে রাউন্ড অব সিক্সটিনে ৩-১ গোলে জয় পায় ফ্রান্স। ইউরো ২০২৪ ও নেশন্স লিগের সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হেরেছে ফ্রান্স। এবার সেই হিসাব চুকানোর সুযোগ এমবাপ্পেদের সামনে।
ফাইনালের পথে আর মাত্র একধাপ। ডালাসে কে হাসবে শেষ হাসি? স্পেনের তরুণদের স্বপ্ন, নাকি ফ্রান্সের বিশ্বজয়ের ক্ষুধা? উত্তর মিলবে সেমিফাইনালের মহারণে।





