ইতিহাস গড়ে কঙ্গোর জমাট বাধা রক্ষণ চীরে ইংল্যান্ডকে একা হাতে শেষ ষোলোতে টেনে তুললেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বিশ্বকাপে দীর্ঘ ৬০ বছর পর প্রথমে পিছিয়ে পরেও ম্যাচ জিতলো ইংলিশরা। থ্রি লায়ন্সের উল্লাসে ভাটা পড়লো ডিআর কঙ্গোর গোলরক্ষক এমপাসি সহ পুরো দলের অসাধারণ এক লড়াইয়ের গল্প।
অথচ যুক্তরাষ্ট্রের আতালান্টায় ম্যাচের শুরুতেই থ্রি লায়ন্সকে হতবাক করে দেয় ডি আর কঙ্গো। ম্যাচের মাত্র ৭ মিনিটের মাথায় দুর্দান্ত এক শটে ইংল্যান্ডের জালে বল জড়ান ব্রায়ান সিপেঙ্গা। এরপর একের পর এক আক্রমণে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় ইংল্যান্ড। ৩০ মিনিটে জুড বেলিংহামের দুর্দান্ত হেড অবিশ্বাস্য দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি।
আরও পড়ুন
এর পাঁচ মিনিট পর মার্কাস র্যাশফোর্ডের শট গোললাইন থেকেই ফিরিয়ে দেন অ্যারন ওয়ান-বিসাকা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে কঙ্গোর হয়ে উইসার শট পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে গেলে ২-০ থেকে পিছিয়ে পরার হাত থেকে বেঁচে যায় ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৪২ মিনিটে হ্যারি কেইন পেনাল্টির দাবি তুললেও তাতে সায় দেয়নি ভিআর। যোগ করা সময়ে বেলিংহাম ও কেইনের পরপর দুটি নিশ্চিত গোলও ঠেকিয়ে দেন ইংলিশদের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ানো এমপাসি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ইংল্যান্ডের হতাশা বাড়ান কঙ্গোর গোলকিপার। ৫৩ মিনিটে আবারও বেলিংহামের শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন তিনি। তবে ৭৫ তম মিনিটে থ্রি লায়ন্সের মুখে হাসি ফুটান দলের অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বদলি নেমে ডান প্রান্তে আক্রমনের ধার বাড়ানো অ্যান্থনি গর্ডনের ক্রস থেকে হেডে বল জালে জড়িয়ে চলতি দলকে সমতায় ফেরান তিনি।
ঠিক এর এগারো মিনিট পরে আবারও ইংলিশ শিবিরকে উচ্ছ্বাসে মাতান কেইন-গর্ডন জুটি। বক্সের বাইরে থেকে গর্ডনের বাড়ানো বল বুলেট গতির শটে জালে জড়ান ইংলিশ অধিনায়ক কেইন। এটি তার চলতি বিশ্বকাপে পঞ্চম গোল, আর একই সাথে বিশ্বকাপে ১৩ গোল করে ছাড়িয়ে যায় ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলের করা ১২ গোলের রেকর্ডও। রাউন্ড অফ সিক্সটিনে ইংলিশদের প্রতিপক্ষ মেক্সিকো।





