প্রস্তুত সান মারিনো, প্রস্তুত বাংলাদেশ দল। থমাস ডুলির অধীনে জামাল ভূঁইয়ারা প্রথমবার নামবেন ইউরোপের কোনো জাতীয় দলের বিপক্ষে।
ম্যাচটিকে নিয়ে প্রথমদিন থেকেই বেশ আন্তরিক বাংলাদেশ দল। থমাস ডুলির অধীনে টানা দেশের মাটিতে টানা অনুশীলনের পর সান মারিনোতেও করেছে ক্যাম্প। সেখানে পুরা দলকে নিয়েও পেয়েছে বেশকিছু প্রাক্টিস সেশন।
দীর্ঘ ক্যাম্প করায় নতুন কোচের ট্যাকটিক্স সম্পর্কে ধারণা মিলেছে ফুটবলারদের। এখন সেসব মাঠে প্রয়োগ করার পালা।
অধিনায়ক জামাল ভূইয়া বলেন, ‘আমরা ঢাকা থেকে শুরু করছি। সো, নতুন কোচ আসছে। সো, ওনার অনেক কিছু নতুন ড্রিলস, নতুন সেটআপ, সবকিছু নতুন। বাট আমরা আস্তে আস্তে অ্যাডপ্ট করতেছি। সো, এইটা টিমের জন্য মানে বেটার হইতেছে।’
র্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও ইউরোপের সেরা দলগুলোর বিপক্ষে ম্যাচ খেলে অভ্যস্ত সান মারিনো। তাইতো এই দলের বিপক্ষে খেলা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করছেন অধিনায়ক। তাছাড়া আবহাওয়াও বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে বলে জানিয়েছেন জামাল। তবে সব কিছুকে পাশে রেখে জয় নিয়েও দেশে ফেরার প্রত্যয় তার কণ্ঠে।
ম্যাচের আগে অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার সাথে সুর মিলিয়েছেন কোচ থমাস ডুলিও। পাশাপাশি সান মারিনোর বিপক্ষের ম্যাচটি দলের ফুটবলার ও দেশের জন্যও বেশ রোমাঞ্চিত হবে বলে জানিয়েছেন লাল-সবুজদের নয়া কোচ।
কোচ থমাস ডুলির প্রতিক্রিয়া বলেন, ‘দলের জন্য এটিই ইউরোপে প্রথম সফর। ইউরোপের মাটিতে ইউরোপিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে খেলা—এটি আমাদের দেশের জন্য যেমন রোমাঞ্চকর, খেলোয়াড়দের জন্যও তেমনই উত্তেজনার। দ্বিতীয়ত, এটি নিঃসন্দেহে খুবই কঠিন একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে। এই দলটি সম্পর্কে বলার মতো অনেক ভালো কিছুই আমাদের রয়েছে।’
ম্যাচ নিয়ে ফুটবলারদের মতো উন্মাদনা আছে ভক্ত-সমর্থকদেরও। সাথে নতুন কোচ থমাস ডুলির দর্শন সম্পর্কেও ধারণা পাবে দেশের ফুটবল। এখন দেখার পালা, বাংলাদেশের হয়ে প্রথম অ্যাসাইনমেন্টটি কতটা সফলতার সাথে শেষ করতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের এই কোচ।





