সবশেষ মৌসুমে ক্লাবগুলোকে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ পাঁচজন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ফুটবলার খেলানোর অনুমতি দিয়েছিলো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। যারা বিবেচিত হতেন দেশি ফুটবলার হিসেবে। সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাসহ ৬ দফা দাবি নিয়ে গতকাল (রোববার, ২৬ এপ্রিল) খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতির ব্যানারে বাফুফের সঙ্গে বসেন দেশি ফুটবলাররা।
সভায় বাফুফের কাছে নিজেদের দাবি বা অনুরোধের পেছনের কারণগুলো ব্যাখ্যা করেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুল হক বলেন, ‘যখন আমরা একটা ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হই। সে পেপারটা আমরা কেউই নেই না। এ জায়গায় আমাদের সঙ্গে আর ক্লাবের সঙ্গে দ্বিমত হয়। আর আমরা আমাদের এজেন্টের মাধ্যমে চুক্তি বদ্ধ হলে আমরা শক্তিশালী হই। আমরা চাই ক্লাব, ফেডারেশন কেউই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।’
সার্কভুক্ত দেশগুলোর পাশাপাশি বিদেশি কোটায় ফুটবলাররা কতজন খেলোয়াড় চান, তা জানান সাখাওয়াত হোসেন ভুঁইয়া। দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বাফুফের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন কার্যনির্বাহী কমিটির এ সদস্য।
বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাখাওয়াত হোসেন ভুঁইয়া বলেন, ‘ফুটবলারা ২ জন সাব চাচ্ছেন আর দুই জন বিদেশি চাচ্ছেন।’
খেলোয়াড় ও ফেডারেশনের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু।
বাফুফের মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ওরা যে পরিকল্পনাটা দিয়েছে তা আমাদের জন্যও ভালো এবং তাদের জন্যও ভালো। আমরা এ প্রস্তাবনা সভাপতির কাছে তুলে ধরবো আর আশাকরি এটার কোনো সমস্যা থাকবে না।’
ফুটবলের স্বার্থে বাফুফের যে-কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নেয়ার কথা জানিয়েছেন ফুটবলাররা।





