দীর্ঘ বিরতির পর ৬ মার্চ থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের দ্বিতীয় লেগ। ক্লাবগুলো এরইমাঝে লিগের বাকি খেলাকে সামনে রেখে অনুশীলন শুরু করেছে। শুরু থেকেই লিগের সম্প্রচার মান নিয়ে ছিলো নানান সমালোচনা। তবে, দ্বিতীয় লেগ থেকে সম্প্রাচার মান ভালো হবে বলে আশা করছেন বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম।
ফাহাদ করিম বলেন, ‘সেকেন্ড লেগে অবশ্যই সম্প্রচার ভালো হবে। আমাদের কিছু লজেস্টিক ইস্যু ছিল, সেগুলোকে আমরা এড্রেস করেছি। তাই আমরা প্রস্তুত আছি। আমরা লক্ষ্য ছিল ন্যূনতম চারটি আর ম্যাক্সিমাম আটটি ক্যামেরা রাখা। কিন্তু আটটি ক্যামেরা শুধু একটা ইভেন্টে রাখা সম্ভব বাকি সবগুলোতে চার ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।
এদিকে, লিগ শুরু ও শেষ করার নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকা ও ক্লাবগুলোর সঙ্গে লিগ কমিটির সমন্বয়হীনতা নিয়ে হতাশা ক্লাবের কর্মকর্তারা। ব্রাদার্স ইউনিয়নের ম্যানেজার আমের খান জানান, এমনটা হলে দল পরিচালনা করা কঠিন হবে ক্লাবগুলোর জন্য।
ব্রাদার্স ইউনিয়নের টিম ম্যানেজার আমের খান বলেন, ‘ফিকচারে দেখলাম আমরা দুইটা রাউন্ডের পর আবার বন্ধ। আবারও সেই শুক্র ও শনিবার খেলা এবং মঙ্গলবার ফেডারেশন গ্যাপ। আসলে আমার ব্যক্তিগত মত হলো এগুলোকে যত দ্রুত সম্ভব সমন্বয় করা কারণ এখন দেশের ক্লাবগুলোর যে আনস্ট্যাবল আর্থিক অবস্থায় আছে তাতে এটা দরকার ছিল। ’
আরও পড়ুন:
লিগের খেলার ভেতরেই শুরু হবে জাতীয় দলের ক্যাম্প। প্রতিবারের মতো এবারও দলগুলো তাদের ফুটবলার ছাড়তে অপারগতা জানাবে বলে আশঙ্কা করছেন এই ক্লাব কর্তা।
ব্রাদার্স ইউনিয়নের টিম ম্যানেজার আমের খান আরও বলেন, ‘আমরা দেখছি দুই রাউন্ড পরে অর্থাৎ ১৪ তারিখের পর ১৫ তারিখে ন্যাশনাল ক্যাম্পের কথা বলা হয়েছে। তখন আমরা হয়তো আমার দলের খেলোয়ারকে ছাড়বো না। তখন সে ক্যাম্পটার আসলে কী হবে?’
একটি দেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে সেদেশের ক্লাব ফুটবল। তবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় লিগের নেই কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। প্রচারণার ঘাটতি থেকে শুরু করে বারবার সূচি পরিবর্তন প্রভাব ফেলছে ভালো খেলা আয়োজনে। সুন্দর পরিকল্পনা ও সুনির্দিষ্ট সূচিতে যাতে আগায় দেশের সবচেয়ে বড় ফুটবল লিগ এমনটাই আশা সংশ্লিষ্টদের।





