আগেই ধারণা ছিলো, এবার নিশ্চিতভাবে জানা গেল ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যাচটাই হচ্ছে না ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। পাকিস্তান সরকার জানিয়ে দিলো, বিশ্বকাপ বয়কট না করলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে খেলবে না পাকিস্তান। তিন লাইনের সেই টুইট রীতিমত নাড়িয়ে দিয়েছে আইসিসির শক্ত অর্থনৈতিক ভিতকে।
আইসিসির রেভিনিউ ডিস্ট্রিবিউশন মডেল অনুযায়ী ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি থেকে আইসিসির সম্ভাব্য আয় হতে পারতো পুরো বিশ্বকাপের আয়ের ৩৬ শতাংশ। বাংলাদেশের ম্যাচ না থাকায় আরও ৭ শতাংশ আয় কমবে আইসিসির। সবমিলিয়ে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ৪৩ শতাংশ আয় কমছে আইসিসির।
আরও পড়ুন:
এখানেই থামছে না আর্থিক ক্ষতি, বিজ্ঞাপনের দিক থেকেও আছে বড় ধাক্কা। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপের ম্যাচে অফিসিয়াল ব্রডকাস্টার সনি স্পোর্টসে প্রতি ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনে খরচ করতে হয়েছিল প্রায় ১৬ লাখ রুপি। সেই এক ম্যাচকে কেন্দ্র করে অ্যাডভার্টাইজিং প্যাকেজ মূল্য ছিল ৪৪ দশমিক ৮ মিলিয়ন ভারতীয় রুপি। যদিও গণমাধ্যম বলছে, এশিয়া কাপের সেই ম্যাচগুলোতে বিজ্ঞাপনের মূল্য প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ কমেছিল। অবশ্য সেটিও বিগত এক দশকের শীর্ষ কিছু অবস্থানের মাঝেই ছিল।
এছাড়া, টিকিট বিক্রিতেও বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে আইসিসিকে। ২০২৬ বিশ্বকাপে শ্রীলংকায় সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়েছে ১৫ তারিখের এই ম্যাচের টিকিট। সবমিলিয়ে তাই বড় রকমের জটিলতা অপেক্ষা করছে আইসিসির জন্য।





