ফুটবল
এখন মাঠে

নারী ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা বাফুফের

নারী ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে পরিবর্তন আসবে বেতনের। সবশেষ ছয় মাসের চুক্তি শেষে খুব শিগগিরই হবে নতুন চুক্তি। যাতে আরও কয়েকজন নতুন ফুটবলার যুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ।

সাফ জয়ের পর নানা পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে দেশের নারী ফুটবলে। দীর্ঘদিন বাফুফের অধীনে থাকলেও সাফজয়ী কন্যাদের বেতন কাঠামো ছিল না। তবে গেল বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ছয় মাসের চুক্তিতে বেতনের আওতায় আনা হয়েছে নারী ফুটবলারদের। যদিও তা অনিয়মিত ছিলো।

তবে এবার সে চিত্র পাল্টাবে ফিফার অনুমোদনে। নারীদের সঙ্গে বাফুফের নতুন করে ছয় মাসের চুক্তির বেতনের পুরোটাই দেবে বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা। এ খবরে উচ্ছ্বসিত নারী ফুটবলাররা।

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন বলেন, ‘জানুযারি মাসের বেতন মার্চে দিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন ঈদের আগে দিয়ে দেওয়ার কথা ছিলো।’

ফুটবলার শামসুন নাহার বলেন, ‘সবাই তো চায়, পরিবারের পাশে দাঁড়াতে। আর পরিবারের পাশে দাঁড়ালে মন মানসিকতা ভালো থাকে।’

পুরনো চুক্তিতে ১৫ নারী ফুটবলারদের মধ্যে সাবিনা, শামসুন নাহাররা ৫০ হাজার টাকা পেতেন। আর অন্যদের বেতন ছিল ত্রিশ হাজার টাকা। আর চুক্তিতে থাকা বাকিদের অ্যাকাউন্টে জমা হতো ১৫ হাজার টাকা। তবে এবার পুনরায় চুক্তিতে পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে ফুটবলারদের বেতনে পরিবর্তন আসবে। নতুন করে চুক্তিতে বেশ কয়েকজনের নাম যুক্ত হবে।

বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ বলেন, ‘পারফরম্যান্স আনুযায়ী কারো স্যালারি কমবে এবং একইভাবে যারা নতুন প্লেয়ার ভালো পারফরম্যান্স করেছে তারা চুক্তিতে আসবে। যারা অনূর্ধ্ব-১৬ ও ১৯ এ ভালো করেছে তাদেরকে স্যালারির আওতায় নিয়ে আসবো।’

চুক্তির মেয়াদের সময় একই করার পরিকল্পনা বাফুফের। তবে নারী দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের মতে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি হলে মানসিকভাবে চাপমুক্ত থাকবে ফুটবলাররা।

তবে কবে নাগাদ সে চুক্তির কার্যকারিতা হবে তা এখনও পরিষ্কার করেনি বাফুফে।

ইএ

এই সম্পর্কিত অন্যান্য খবর