বছরটাই ওয়ানডে এবং টেস্টের৷ খুব বেশি টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগ পাননি ক্রিকেটাররা৷ তবে এশিয়ান গেমসে খেলতে হবে ক্রিকেটের শর্টার ফরম্যাটেই। দেশের মাটিতেই ক্যাম্প। ১০ দিনের প্রস্তুতিতে সন্তুষ্ট অধিনায়ক লিটন দাস।
অধিনায়ক লিটন দাস বলেন, এই বছরটাই হচ্ছে আমাদের ক্যালেন্ডারে ওয়ানডে এবং টেস্টের একটা ফরম্যাট। সো এখানে স্বাভাবিক বিষয় প্লেয়াররা খুব কম খেলবে, বাট ম্যাক্সিমাম প্লেয়ার দেখবেন যে অনেকে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলে বেড়াচ্ছে, অনেকে অনেক জায়গায় খেলে বেড়াচ্ছে—এটা একটা ভালো সাইন। এবং এই যে যে জিনিসটা বললাম যে, আমাদের অপশনই কম ছিল যে একসাথে হওয়ার। এই ক্যাম্পটা এবং প্লাস অ দুটো প্র্যাকটিস গেমও আমরা খেললাম, সো এটা একটা ভালো অপরচুনিটি এবং ভালো অপশন ছিল যে আমাদের একসাথে আবার বন্ডিং হওয়ার জন্য।
লক্ষ্য কী? প্রশ্নের উত্তরটা লিটনের কাছে সহজই। এশিয়ান গেমসের ফাইনাল খেলতে চান তিনি। স্বর্ণপদক কি ফিরবে ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলে? সেই উত্তরটা অবশ্য সরাসরি দিলেন না লিটন।
লিটন দাস বলেন, এখানে টার্গেটই তো একটা থাকবে। যেহেতু একটা টুর্নামেন্ট খেলতে যাচ্ছি—ফাইনাল খেলা এবং ফাইনালে যেন ভালো কিছু করতে পারি।
তবে, নিজেদের খেলাকে কেবল পদকের বৃত্তে আটকে রাখতে চান না লিটন দাস। স্বর্ণপদক জয় দেশের অন্যান্য খেলার জন্য উৎসাহ দেবে, সেটা মেনে নিয়েই জাপানের ফ্লাইটে চড়তে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক।
লিটন দাস বলেন, আমাদের মাধ্যম দিয়ে যদি কোনো গেমের ডেভেলপমেন্ট হয় বা কোনো অ অন্য কোনো স্পোর্টসে যদি অ সুযোগ আসে, আমরা এটা চেষ্টা করব এবং আমরা যদি ভালো কিছু করি, অলিম্পিক জিততে পারি—তাহলে বাংলাদেশে হোয়াই নট? বাংলাদেশে অন্যান্য স্পোর্টসগুলো এখান থেকে সুবিধা পাবে।
সাইফুদ্দিন নেই। পেস বোলিং অলরাউন্ডারের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা খালি। লিটন দাস কিছুটা হতাশই। তবে, আগামী ১ বছরের মাঝেই নতুন কেউ জায়গা করে নেবে, এমন আশাও করছেন টাইগার কাপ্তান।
লিটন দাস বলেন, যে তিনটা অলরাউন্ডার খেলেছিল লাস্ট, তারা তিনজনেই ইনজুরড। সো এই মুহূর্তে আমি আর কাউরে দেখতেছি না বাংলাদেশে, হ্যাঁ কিছু কিছু ইয়াং প্লেয়ার আছে, তাদেরকে নিয়ে কোচরা কাজ করতেছে। অ ডেফিনেটলি তাদের একটু সময় লাগবে, বাট আশা করি যে এক-দেড় বছরের ভেতরে তাদের কাছ থেকে ভালো কোনো কিছু পাব আমরা।
অধিনায়ক হয়ে খেলতে পারেননি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এশিয়ান গেমস লিটনের প্রথম বড় অ্যাসাইনমেন্ট। সেদিক থেকেও এবারের প্রতিযোগিতা বিশেষ কিছু।





