চলতি বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগেভাগে বিদায় নেয়ার পর এশিয়া কাপে সেমিফাইনালে থেমেছে বাংলাদেশ নারী দলের যাত্রা। এশিয়ান গেমস থেকে টাইগ্রেসরা ফিরেছে খালি হাতে। তবে দম ফেলার ফুরসত পাচ্ছেন না ক্রিকেটাররা। অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া সফরের পরই থাইল্যান্ডে ইমার্জিং নেশন্স ট্রফি, এরপর নিউজিল্যান্ডে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আতিথ্য দেবে টাইগ্রেসরা।
বয়সভিত্তিক দলেও আছে ত্রিদেশীয় সিরিজ, এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় আসর। সামনে খেলার ব্যস্ত সূচি থাকলেও শঙ্কার যায়গায় পারফরম্যান্স। বিগত ১২ মাসে ১০ ওয়ানডেতে মাত্র দুটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে ২৫ ম্যাচে ১৩ জয় এলেও বড় মঞ্চে ব্যর্থ টাইগ্রেসরা।
আর এ কারণেই পাইপলাইন শক্ত করার পাশাপাশি নতুন খেলোয়াড় বের করে আনতে এবার ঘরোয়া ক্রিকেটে গুরুত্ব দিচ্ছে বিসিবি। এখন টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু জানালেন সে কথাই।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই যে, ঘরোয়া ক্রিকেটে যদি ভালো করে, আকর্ষণীয় করে করা যায়, সেক্ষেত্রে আমাদের মেয়েরা উপকৃত হবে। একটা জিনিস আমরা বিশ্বাস করি, ঘরোয়া ক্রিকেট আমরা যতদিন আমরা শক্তিশালী করতে না পরবো, ততদিন মেয়েদের ওরকম উপকার হবে না।’
এরই মধ্যে ঘরোয়া ক্রিকেটের সূচিও চূড়ান্ত করেছে বিসিবি। ছেলেদের মতো নারী ক্রিকেটেও আসছে স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। অক্টোবরেই শুরু হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের জাতীয় লিগ। একই সময়ে চলবে ফার্স্ট ডিভিশন কোয়ালিফাইং লিগ। নতুন বছরের শুরুতেই মাঠে গড়াবে প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট।
এখানেই শেষ নয়, নতুন বছরের প্রথম ৫ মাসে আছে আরও কিছু টুর্নামেন্ট। মার্চে ফার্স্ট ডিভিশন, এপ্রিলে অনূর্ধ্ব-১৮ দল নিয়ে টুর্নামেন্টের পাশাপাশি একই মাসে অনুষ্ঠিত হবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট লিগ। এছাড়া ৫ দল নিয়ে ওয়ানডে ফরম্যাটে নারী চ্যালেঞ্জ কাপও আয়োজনের ভাবনা বিসিবির।
দেশের নারী ক্রিকেট এগিয়ে নিতে রীতিমতো মাস্টারপ্ল্যান বিসিবির, বেড়েছে ম্যাচ ফি-ও। বিসিবির বিশ্বাস, এসব টুর্নামেন্ট থেকেই উঠে আসবে ভবিষ্যত তারকারা।





