কিছুদিন আগেই সংবাদ সম্মেলনে এ বছর বিপিএল না হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই শঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে। এবার ফ্রাঞ্চাইজি মালিকদের কণ্ঠেও শোনা গেল একই সুর।
আজ বিসিবির সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুরের ফ্রাঞ্চাইজিগুলোর মালিকপক্ষ। বৈঠক শেষে এ বছর বিপিএল না হওয়ার কথা নিশ্চিত করেন তারা। কিছুটা হতাশ হলেও টুর্নামেন্টের স্বার্থে বিপিএল সংস্কারের সিদ্ধান্তে বিসিবির সঙ্গে একমত সবাই।
রংপুর রাইডার্সের ইশতিয়াক সাদেক বলেন, ‘বিপিএল তার সংস্কার প্রয়োজন কারণ আমরা দীর্ঘ ১০ বছর ধরে আছি, কিন্তু আমাদের কোনো কনস্ট্রাক্টিভ আইডিয়া নেই, সাসটেইনেবল কোনো মডেল নেই। এই মডেলগুলোকে যদি আমরা দুই পক্ষ বিসিবি এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলি একসঙ্গে ডেভেলপ করতে পারি, ইভেনচুয়ালি ইন দ্য লং রান বিপিএলের জন্য অনেক ভালো হবে।’
ফাকা ক্যাপিটালসের আতিক ফাহাদ বলেন, ‘মডেল এটাই—ফ্র্যাঞ্চাইজি, তার ফ্র্যাঞ্চাইজি ওনার, তারপর হচ্ছে অ্যাট দ্য সেইম টাইম বিসিবি। দুজনেই উইন-উইন সিচুয়েশন।’
বিপিএলের সময় বিশ্বজুড়ে একইসঙ্গে বেশ কিছু ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট চলমান থাকায় মানসম্পন্ন খেলোয়াড় পায় না বাংলাদেশের দলগুলো। এ সংকট কাটানোর উপায় নিয়েও ভাবছে বিসিবি। অর্থাৎ পরিবর্তন আসতে পারে বিপিএলের ক্যালেন্ডারে।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মোকসেদুল কামাল বাবু বলেন, ‘এখন তো প্রচুর ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ হচ্ছে। এবং অলমোস্ট আপনি দেখবেন সারা বছরই কোনো না কোনো সময় এটা আছে। সেখান থেকে আমরা যেটা বলেছি, কম্পারেটিভলি আমাদের এই রিজিয়নকে প্রভাবিত করবে না—এইরকম একটা টাইমকে সিলেক্ট করেই মূলত টাইমটাকে ফিক্স করার জন্য আমরা তাদেরকে বলেছি।’
বিপিএল না হলে ক্রিকেটারদের উপার্জনে আসবে বড় ধাক্কা। বারবারই এই ইস্যুতে সরব ক্রিকেটাররা। সংকট সমাধানে বিকল্প টুর্নামেন্ট আয়োজনের চিন্তা করছে বিসিবি।
ইসতেয়াক সাদেক বলেন, ‘টাইম স্লট থেকে আরম্ভ করে মডেলটা কী রকম হবে, কোন ডেটগুলিতে হবে এবং ৫ বছরের জন্য মানে নেক্সট যে দিনই বিপিএল হবে, সেখান থেকে একটা ৫ বছরের ক্যালেন্ডার আমরা চেয়েছি।’
দেশের ক্রিকেটের পাশাপাশি ফ্রাঞ্চাইজিগুলোর স্বার্থ যেন সুরক্ষিত থাকে, এমন মডেল নিয়ে নতুন রূপের বিপিএলের অপেক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ।





