ডারউইন জয়ের গৌরবে কালি লাগলো ম্যাকাইয়ের লজ্জার হার দিয়ে। মাত্র এক ম্যাচের ব্যবধানে ব্যাটিংয়ে চূড়ান্ত ব্যর্থতার ইতিহাস লিখলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল। প্রতিপক্ষের করা মাত্র ২১০ রানই দুই ইনিংসে ২০ উইকেট হারিয়ে করতে পারলো না টাইগাররা। দুই দিনেরও কম সময়েই শোচনীয় পরাজয় বরণ করতে হলো বাংলাদেশকে।
প্রথম দিনে স্টার্ক-শরিফুল দ্বৈরথে ১৮ উইকেট পড়লেও ম্যাচে ছিলো বাংলাদেশ। রোববার সকালে পায়ের পাতা উপড়ানো ইয়র্কারে আগের টেস্টের সেঞ্চুরিয়ান ক্যামেরুন গ্রিনকেও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন শরিফুল ইসলাম। ৪৮ রানে ৭ উইকেটের ক্যারিয়ার সেরা স্পেলে ভেঙেছেন ১৮ বছর পুরনো রেকর্ডও। প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে স্পর্শ করেছেন টেস্টে এক ইনিংসে ৭ উইকেটের মাইলফলক।
আরও পড়ুন:
পথের কাটা গ্রিন ব্যক্তিগত ৬৭ রানে ফিরলে, হ্যাজেলউডকেও আউট করে অজিদের লিড দেড়শ পার হতে দেননি তাইজুল। ১৪৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটাও বাউন্ডারি হাঁকিয়ে করেছিলেন তানজিদ তামিম। তবে এরপরই ফের স্টার্ক-কামিন্সদের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপ। একে একে সাজঘরে সাদমান, মমিনুল, তানজিদ তামিমরা।
লাঞ্চের আগেই তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশ ভরসা খুঁজছিলো শান্ত, লিটন, মিরাজদের ব্যাটে। তবে অজিদের তান্ডবের সামনে চাপে পড়ে উইকেট বিলিয়ে এসেছে দলের মিডল অর্ডারও। একই সিরিজের তিন ইনিংসেই শূন্য রানে আউট হওয়ার বিরল রেকর্ড গড়েন লিটন কুমার দাস।
উইকেটের একপাশে মাটি কামড়ে পড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। তবে তার ২৯ রানের ইনিংসেও শতরানের গন্ডি পেরুতে পারেনি বাংলাদেশ। মিচেল স্টার্ক ৪টি ও কামিন্স ও লায়ন নেন তিনটি করে উইকেট। এই জয়ে ১-১ সমতায় সিরিজ শেষ করলো অস্ট্রেলিয়া।





