অস্ট্রেলিয়ার মূলধারার টেস্ট ভেন্যু মেলবোর্ন বা সিডনি নয়, বাংলাদেশকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ডারউইনের মারারা ওভাল। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার এমন ভেন্যু নির্বাচন স্পষ্ট করে দেয়-টাইগারদের প্রতি তাদের মানসিকতা আজও কতটা অবমূল্যায়নের।
ইতিহাসে এই মাঠে ২০০৩ ও ২০০৪ সালে মাত্র দুটি টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিলো, যার একটি ছিলো বাংলাদেশেরই বিপক্ষে। তবে সেই ম্যাচের পর কেটে গেছে দুই দশক। বর্তমান বাংলাদেশ বা অস্ট্রেলিয়া-দুই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই এই মাঠে আন্তর্জাতিক টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা নেই। তাই কন্ডিশনের হিসেবে দুই দলই নামবে সম্পূর্ণ অচেনা এক মাঠে।
ডারউইনের অতীত পরিসংখ্যানের পাতা ওল্টালে বাংলাদেশ ব্যাটারদের জন্য বিপদের সংকেত স্পষ্ট। এই মাঠের দুই টেস্টে যেখানে স্পিনাররা পেয়েছেন মাত্র ১৪ উইকেট, সেখানে পেসারদের পকেটে গেছে ৪২টি। আর এমন পরিসংখ্যানের মাঠে নামার আগে বাংলাদেশের দুর্বলতা এই পেস বোলিং বিভাগেই। টাইগারদের পেস অ্যাটাকের বড় অস্ত্র নাহিদ রানা থাকছে না এই সিরিজে। ডারউইন টেস্ট মিস করবেন শরিফুলও।
আরও পড়ুন:
আগস্টের এই সময়ে ডারউইনে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। রোদ আর শুকনো আবহাওয়ায় মারারা ওভালের উইকেট থাকবে শক্ত। নতুন বলে বাড়তি বাউন্স আর সুইং সামলানোই হবে ব্যাটারদের মূল পরীক্ষা।
২০০৩ সালে এই ডারউইনেই বাংলাদেশকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার ডেভিড হুকস কটাক্ষ করেছিলেন—টেস্ট নাকি শেষ হবে এক দিনে। কিন্তু সুজনের দল সেই ম্যাচ টেনে নিয়েছিলো ৩ দিন পর্যন্ত।
২৩ বছর পর সেই একই মাঠে নামতে যাচ্ছে টাইগাররা। বাংলাদেশকে অবমূল্যায়ন আর অখ্যাত মাঠের পেস সহায়ক কন্ডিশন—সব চ্যালেঞ্জ টপকে তাসমানপাড়ের মাটিতে ব্যাট-বলে জবাব দেয়ার ওপরই নির্ভর করছে টাইগারদের নতুন ইতিহাস।

 is displayed-320x167.webp)


