গণমাধ্যমের খবর, সোশ্যাল মিডিয়ায় তর্ক, আইসিসির হিসেব— তথ্যগুলো যেন বদলে যাচ্ছে এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে। বিশ্বকাপ না খেললে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে ক্রিকেট বোর্ডকে। তবে সেই ক্ষতির পরিমাণটা ঠিক কত? কারো কাছে পরিমাণটা প্রায় তিনশ কোটি টাকার বেশি। আবার কেউ বলছেন, খুব একটা ভুগতে হবে না বাংলাদেশ ক্রিকেটকে।
বিশ্বকাপ না খেললে ঠিক কত টাকার ক্ষতি হবে বাংলাদেশের?—এমন প্রশ্নের জবাবে এখন টিভিকে বিসিবির দু’জন পরিচালক জানিয়েছেন নিজ নিজ মতামত। দুজনেরই মন্তব্য, এখনই এ ক্ষতি নিরুপণ করা কঠিন কাজ।
বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘একটা জিনিস আর্থিক ক্ষতি বলতে পারেন। সেটা হলো— খেলা চলাকালীন খেলার স্ট্যান্ডিংটা যখন হয়, তখন সেই স্ট্যান্ডিংয়ে বিসিবির একটা অংশ থাকে।’
বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘এটা তো ওরা বলতে পারবে, ওদের কার সঙ্গে কী চুক্তি। এটা খুবই কঠিন, আমার কথা হচ্ছে যে, যাদের স্পন্সর আছে, ওদের যে স্পন্সর আছে, ওরাও একটা চিন্তা করেছে হয়তো যে, কেমন ক্রাউড হবে।’
আরও পড়ুন:
যদিও দুই পরিচালক জানালেন, খরচের অঙ্ক কখনোই গণমাধ্যমে প্রচারিত তিনশ কোটির সমকক্ষ নয়।
এম নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বকাপে খেলতে দেয়া হচ্ছে না, এ কারণে আমরা ৩৩০ কোটি টাকা লস করবো, এটা সত্যি নয়। কিছু তো সরাসরি ক্ষতি, আর কিছু সেকেন্ডারি ক্ষতি। সেকেন্ডারি ক্ষতি কত, সেটা এখন বলতে পারবো না।’
ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘আমি কীভাবে বলবো এটা? কারণ এটা এখনো আমাদের কাছে আসেনি। আমরাও আইসিসির ওই পর্যায়ে যাইনি এখনো। আমার মনে হয়, আমরা আগাম কথা বলছি।’
ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের কথা অনুযায়ী, চোখ রাখতে হচ্ছে আইসিসির টুর্নামেন্ট প্রাইজমানির দিকে। বাংলাদেশ বরাবরই আইসিসি ইভেন্টে সেমিফাইনাল খেলার পক্ষে। সেই হিসাবে বোর্ডের ক্ষতি হবে ৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। গ্রুপ পর্ব কিংবা সুপার এইটে বাদ পড়লে ক্ষতির পরিমাণ অবশ্য কমবে।
অবশ্য ২০২৭ পরবর্তী চক্রে আইসিসি থেকে বিসিবির জন্য বরাদ্দ কমতে পারে— এমন শঙ্কাও রয়েছে দুই পরিচালকের।





