ধর্ম

কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে ১৯৭ তম ঈদ জামাত

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়ায় এবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১৯৭ তম ঈদ-উল-আজহার জামাত। নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চলছে ঈদ জামাতের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

ঈদের জামাত আয়োজনের তোড়জোড় চলছে ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে। জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি, জেলা পুলিশ ও পৌর কর্তৃপক্ষ জামাতকে সফল করতে কাজ করে যাচ্ছে।

মাঠে দাগ কাটা, বালু ফেলা, দেয়ালে রং করাসহ শোলাকিয়া ময়দানকে জামাতের উপযোগী করার কাজ প্রায় শেষের পথে। সংস্কার করা হয়েছে মুসল্লিদের ওজুখানা এবং টয়লেট। পাশাপাশি চলছে শহরের শোভাবর্ধনের কাজও। জামাতের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তার আয়োজন দেখে খুশি স্থানীয়রা।

মুসল্লিদের জন্য কয়েকটি মেডিকেল টিম এবং বহুসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও দূর-দূরান্তের মুসল্লিদের যাতায়াতের জন্য শোলাকিয়া স্পেশাল নামে দুটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।

জেলা প্রশাসক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'যারা নামাজ আদায় করতে আসবেন তাদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সাথে ওয়াশরুমের ব্যবস্থা থাকবে। আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি ভালো আছে।'

নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে এরই মধ্যে মাঠ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। জামাতের সময় মাঠ ও আশপাশে মোতায়েন থাকবে পাঁচ প্লাটুন বিজিবিসহ পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার বাহিনী। পাশাপাশি মাঠে সাদা পোশাকে নজরদারি করবে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন। এছাড়া পুরো ঈদগাহ মাঠ থাকছে সিসি ক্যামেরার আওতায়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ বলেন, 'সকলের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করার জন্য আমাদের ড্রোন ক্যামেরা থাকবে। আমাদের চেক পোস্টগুলো নিশ্চিত করবো। পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে।'

জনশ্রুতি রয়েছে, ১৮২৮ সালে এই মাঠে ঈদের জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি এক সাথে নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে এ মাঠের নাম হয় 'সোয়া লাখিয়া'। যা এখন শোলাকিয়া নামেই পরিচিত।

এভিএস

এই সম্পর্কিত অন্যান্য খবর