একনজরে রমজান ও ঈদ ২০২৬ (সম্ভাব্য)
- রমজানের চাঁদ দেখার তারিখ: ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (মঙ্গলবার)।
- প্রথম রোজা শুরু: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বুধবার)।
- রমজানের স্থায়িত্ব: ২৯ বা ৩০ দিন।
- ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ: ২০ মার্চ, ২০২৬ (শুক্রবার)।
- ঈদুল ফিতরের ছুটি: ১৯ মার্চ থেকে ২২ মার্চ (টানা ৪ দিন)।
- আরাফাত দিবস (হজ): ২৬ মে, ২০২৬ (মঙ্গলবার)।
- ঈদুল আজহা (কোরবানির ঈদ): ২৭ মে, ২০২৬ (বুধবার)।
- ঈদুল আজহার লম্বা ছুটি: ২৬ মে থেকে ২৯ মে (সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৫-৬ দিন হওয়ার সম্ভাবনা)।
আরও পড়ুন:
২০২৬ সালে রমজান শুরুর সম্ভাব্য তারিখ (Ramadan Start Date)
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (Ramadan Starting Date 2026)। রমজান মাসটি ২৯ বা ৩০ দিন স্থায়ী হতে পারে। তবে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল-জারওয়ান জানান, রমজান ২৯ দিনে শেষ হলেও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৩০তম দিনটি ঈদের ছুটির সঙ্গে যুক্ত থাকবে।
প্রথম রোজা: আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (Ramadan Starting Date) বুধবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে।
রোজার সংখ্যা: চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে রমজান মাস ২৯ অথবা ৩০ দিন স্থায়ী হতে পারে। যদি মাসটি ৩০ দিনের হয়, তবে তা ১৯ মার্চ শেষ হবে।
শীতকালীন রোজা: দীর্ঘ সময় পর রমজান মাস ফেব্রুয়ারি মাসে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যসহ এশিয়ার দেশগুলোতে আবহাওয়া তুলনামূলক শীতল থাকবে, যা রোজাদারদের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে।
আরও পড়ুন:
ঈদুল ফিতর ও চার দিনের ছুটি (Eid-ul-Fitr Holidays)
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর (Eid-ul-Fitr 2026 Date) শুরু হতে পারে ২০ মার্চ। এর ফলে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমিরাতে ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত টানা চার দিনের ছুটি (4 Days Eid Holidays) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল-জারওয়ান জানান, জ্যোতির্বিজ্ঞানের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০ মার্চ ২০২৬ (Expected Eid-ul-Fitr Date) শুক্রবার হতে পারে পবিত্র ঈদুল ফিতর।
ছুটির পরিকল্পনা: সরকারি নীতি অনুযায়ী, রমজানের ২৯তম দিন থেকে শাওয়াল মাসের ৩ তারিখ পর্যন্ত ছুটি থাকে। ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ হলে, ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকেই ছুটির আমেজ শুরু হবে এবং ২২ মার্চ (রবিবার) পর্যন্ত টানা চার দিনের ছুটি (4 Days Eid Vacation) পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
ঈদুল আজহা ও দীর্ঘ ছুটির সুখবর (Eid-ul-Adha 2026 Predictions)
২০২৬ সালে ঈদুল আজহা (Eid-ul-Adha 2026) উপলক্ষে বাসিন্দারা আরও দীর্ঘ ছুটি পেতে পারেন। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী:
- আরাফাত দিবস: ২৬ মে (Arafat Day 2026)।
- ঈদুল আজহা শুরু: ২৭ মে (Eid-ul-Adha Start Date)।
- ছুটি: ২৯ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি থাকলেও সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়ে তা টানা ছয় দিনে (6 Days Long Holiday) রূপ নিতে পারে।
চাঁদ দেখার ওপর চূড়ান্ত নির্ভরতা (Final Confirmation by Moon Sighting)
প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব কেবল একটি গাণিতিক পূর্বাভাস। ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি হিজরি মাসের শুরু এবং শেষ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে। তাই রমজান ও দুই ঈদের চূড়ান্ত তারিখ এবং ছুটির ঘোষণা নির্ধারিত সময়ের কয়েক দিন আগে চাঁদ দেখা কমিটির (Moon Sighting Committee) বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
আরও পড়ুন:
২০২৬ সালের রমজান নিয়ে জনপ্রিয় প্রশ্নোত্তর (FAQ)
প্রশ্ন: ২০২৬ সালের রমজান মাস কত তারিখে শুরু হতে পারে? (When is Ramadan 2026 Starting Date)
উত্তর: ২০২৬ সালের রমজান মাসের শুরুর তারিখ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, ১৮ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বা ১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশে প্রথম রমজান বা রোজা শুরু হতে পারে। সৌদি আরবে একদিন আগে অর্থাৎ ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রশ্ন: ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর বা রোজার ঈদ কত তারিখে? (Expected Date of Eid-ul-Fitr 2026)
উত্তর: রমজান মাস ২৯ দিন হলে ২০২৬ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে ২০ মার্চ (শুক্রবার)। আর যদি রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হয়, তবে ঈদুল ফিতর হবে ২১ মার্চ (শনিবার)। সঠিক তারিখটি রমজানের শেষ দিনে চাঁদ দেখার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
প্রশ্ন: ২০২৬ সালের ঈদে কত দিনের সরকারি ছুটি পাওয়া যাবে? (How Many Days of Government Holidays for Eid 2026)
উত্তর: ২০২৬ সালে ঈদের সম্ভাব্য ক্যালেন্ডার অনুযায়ী এবার বড় ছুটির সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণ ছুটি ৩ দিন (ঈদের আগের দিন, ঈদের দিন ও পরের দিন)। যেহেতু ২০ মার্চ (শুক্রবার) এবং ২১ মার্চ (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি, তাই ঈদের মূল ছুটির সাথে সাপ্তাহিক ছুটি মিলে এবার টানা ৫ থেকে ৬ দিনের লম্বা ছুটি (Long Eid Vacation) পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রশ্ন: ২০২৬ সালের রমজানের সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচী কোথায় পাওয়া যাবে? (Where to find Ramadan 2026 Sehri and Iftar Schedule)
উত্তর: ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (Islamic Foundation Bangladesh) সাধারণত রমজান শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে জেলাভিত্তিক সেহেরি ও ইফতারের ক্যালেন্ডার প্রকাশ করে। এছাড়াও বিভিন্ন অ্যাপ এবং অনলাইন পোর্টালে এই সময়সূচী পাওয়া যায়। ১৮ ফেব্রুয়ারি রোজা শুরু ধরলে আনুমানিক ভোর ৫টা ১০ মিনিটে সেহেরির শেষ সময় এবং সন্ধ্যা ৫টা ৫৫ মিনিটে ইফতার হতে পারে।
প্রশ্ন: শবে কদর বা লাইলাতুল কদর ২০২৬ কত তারিখে হবে? (When is Laylat al-Qadr 2026 Date)
উত্তর: রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের বিজোড় রাতে শবে কদর তালাশ করা হয়। হিসাব অনুযায়ী, ১৫ মার্চ (রবিবার) দিবাগত রাতে পবিত্র ২৬ রমজান বা শবে কদর পালিত হতে পারে। এটি বাংলাদেশে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গণ্য হয়।





