আজ (শনিবার, ৩১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘একটি দল পরিকল্পিতভাবে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, যাতে ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে ভয় পান। অতীতের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চায় না জামায়াত।’
বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে বলেও তিনি আরও বলেন, ‘শেরপুরের হত্যাকাণ্ডের পর আগামীকাল জামায়াতের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে স্মারকলিপি দেবে।’
আরও পড়ুন:
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল বলেন, ‘১১ তারিখ হাদি হত্যার মধ্য দিয়ে সহিংসতা শুরু হয়। ২৯ জানুয়ারি জামায়াতের এক উপজেলা সেক্রেটারিকে হত্যা করা হলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।’ এসময়ে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে দলীয় কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাও উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়া নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যশোর, নোয়াখালী, কুষ্টিয়া ও সীতাকুণ্ডে এমন ঘটনা ঘটেছে।’ নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘চট্টগ্রাম–১৪ আসনে টাকা বিতরণের সময় এক প্রার্থীকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।’ এরইসঙ্গে যৌথ অভিযানে বিএনপির নেতা মিলন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান জামায়াতের এই নেতা।





