শফিকুর রহমান বলেন, ‘আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলতে পারি যে, বাংলাদেশের মানুষ একটা পরিবর্তন চায়। ১৩ তারিখ থেকে দেশের মানুষ একটা পরিবর্তন দেখতে চাচ্ছে। ১২ তারিখের পরেই ১৩ তারিখ, যে পরিবর্তনটা আসবে, এটি আসবে আমাদের যুব সমাজের আকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করে। আমাদের মায়েদের নিরাপত্তার আকাঙ্ক্ষার ওপর ভর করে। গোটা বাংলাদেশের ইজ্জতের ওপর ভর করে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আর কোনো আধিপত্যবাদকে মানবো না। আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। আমরা আর কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার এ দেশে দেখতে চাই না। আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ দেখতে চাই।’
বাংলাদেশে আর কোনো দলীয় শাসন দেখতে চান না বলে জানান জামায়াত আমির।
তিনি বলেন, ‘সাড়ে ১৫ বছর এ বাংলাদেশের মানুষ, আলেম, ওলামা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, আওয়ামী লীগের যারা ছিলেন, সিভিল সোসাইটির সদস্যরা, এক কথায় সারা দেশবাসী মজলুম ছিলেন। আর আমরাও মজলুম ছিলাম। এখনো যারা মজলুম, আমরা আশা করছি, তাদের পক্ষেই বাংলাদেশ থাকবে ইনশা আল্লাহ। আমরা দলীয় কোনো শাসন এ দেশে দেখতে চাচ্ছি না। আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাচ্ছি না, আমরা ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাচ্ছি।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘৩০০ আসনে ১১ দলের যেখানে যে প্রতীক থাকবে সেখানে সে প্রতীক নিয়েই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে লড়ে যাবে, ইনশা আল্লাহ। যেখানে যে প্রতীক, আমরা সে প্রতীকের সঙ্গী হয়ে যাবো। আমরা বিশ্বাস করি, সত্যের বিজয় হবে। বাতিল সব তছনছ হয়ে যাবে, ইনশা আল্লাহ।’
যারা নিজেদের জীবন শেষ করে দেয় তাদের হাতে দেশের নারীরা নিরাপদ না উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘৫ তারিখের পর আপনারা দেখেছেন, কার কী কর্মকাণ্ড, কার কী চরিত্র। আগেরটা রাখলাম, অতীতের খাতায় থাক, বর্তমান বিবেচনায় নিলেই বাংলাদেশের মানুষের সিদ্ধান্ত নেয়া কঠিন হবে না, ইনশা আল্লাহ। যারা আমার সম্পদেও হাত দেয়, যারা আমার জীবনেও হাত দেয়, যারা নিজেদের জীবনকে শেষ করে দেয় এবং যারা আমাদের মায়েদেরে ইজ্জতে হাত দেয়, তাদের হাতে কী বাংলাদেশের নয় কোটি মা নিরাপদ। তারা মাথা গরম করলো কেন শীতের দিনে? মাঘ মাসে মাথা গরম হওয়ার তো কোনো কারণ ছিল না।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের অঙ্গীকার স্পষ্ট, চাঁদাবাজিসহ যত দুর্নীতি আছে, আমরা এগুলোর জোয়াড় কেটে দিতে চাই। এতে কারো ভয় পাওয়ার তো কিছু নেই। যারা চাঁদাবাজি করেন, দুর্নীতি করেন, তাদেরও ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাচ্ছি, যেখানে প্রতিটি নাগরিক তার জীবন, সম্পদ এবং ইজ্জতের নিরাপত্তা ভোগ করবে, ইনশা আল্লাহ।’





