শিশির মনির বলেন, ‘সারা দেশে নির্বাচনের প্রচারের ক্ষেত্রে যে ঘটনাগুলো ঘটছে তা অনাকাঙ্ক্ষিত। যা কোনোভাবে সাপোর্ট করি না। আমরা নিজেরাও করি না কিংবা কেউ করুক সেটাও চাই না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখার জন্য সর্বক্ষেত্রে প্রয়োজন রাজনৈতিক দলগুলোর শক্ত অবস্থান। একটি প্রচার অভিযানে প্রার্থী তার নিজস্ব চিন্তাভাবনা তুলে ধরবে ধরুক এখানে অপ্রাসঙ্গিক বাঁধা দেয়ার তো কিছু নেই।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পরে রাজনীতিতে যদি নতুনত্ব না থাকে তাহলে সেই পুরনো কালচার আবার ফিরে আসবে। গতকালকে আমার নির্বাচনি এলাকায় যা ঘটেছে কিংবা সারাদেশ জুড়ে যা ঘটছে এসবের ইতি টানা দরকার। রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বিত আলোচনায় বসা দরকার। এমনকি নির্বাচন কমিশনের এ ব্যাপারে কার্যকরি উদ্যোগ নেয়া দরকার। যদি তা না পারে তাহলে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন বলতে তেমন কিছু আমরা প্রত্যাশা করতে পারি না।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাই আমি মনে করি দ্রুত এগুলো বন্ধ করা দরকার। কারণ নির্বাচনি সহিংসতায় নেতৃত্ব স্থানীয় লোকরা মৃত্যু বরণ করছে। এ কেমন রাজনীতি। এইসব থেকে মুক্তি না পেলে নতুন জেনারেশন রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে। আবার তাদেরকে রাস্তায় নামতে হবে। আবার একটি গণঅভ্যুত্থানের প্রয়োজন হবে।’





