তিনি বলেন, ‘কোনো একটি দলের পক্ষ থেকে ইলেকশন কমিশনে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, যাতে বাতিল নমিনেশন বৈধ করে দেয়া হয়। সুষ্ঠু নির্বাচন চাইলেও উপদেষ্টাদের মাঝে কেউ কেউ প্রধান উপদেষ্টাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।’
বৈঠকে নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপিত হবে জামায়াতকে প্রধান উপদেষ্টার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান এই নেতা।
মো. তাহের বলেন, ‘সেনা, পুলিশ, র্যাব ও আনসারসহ কাউকেই ভোট কক্ষের ভেতরে প্রবেশ অনুমতি না দিতে জামায়াতের সুপারিশ করেছে। এতে প্রধান উপদেষ্টা সম্মতি দিয়েছেন।’
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে ছাত্রসংসদ নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই বলেও এসময় উল্লেখ করেন জামায়াতের নায়েবে আমির। ‘ইলেকশন কমিশন অন্যায় ও ক্ষমতাবহির্ভূতভাবে ছাত্রসংসদ নির্বাচন বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে’—বলেন এই জামায়াত নেতা।
সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড একটি ধোঁকাবাজি।’
আরও পড়ুন:
মো. তাহের বলেন, ‘জোট গঠনে ইসলামী আন্দোলনের বড় ভূমিকা ছিল৷ ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমিরের সম্মানে তার আসনে কোনো প্রার্থী দেবে না জামায়াত ‘
তিনি বলেন, ‘একটি দলকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা দিয়ে ভোটের আগে অসমতল মাঠ তৈরি করছে সরকার।’
এর আগে, সন্ধ্যা ৬টা ১৭ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপস্থিত হয় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।
প্রতিনিধি দলে ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তাদের বৈঠক শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।





