আজ (মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক (সিনিয়র সিভিল জজ) তনিমা রহমান।
শোকজ নোটিশে বলা হয়, সম্প্রতি শেরপুরের শ্রীবরদী পৌর বিএনপির আহবায়ক ফজলুল হক চৌধুরী অকুল গণভোটকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রদান করেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শ্রীবরদী পৌর বিএনপির আহবায়ক ফজলুল হক চৌধুরী অকুল গণভোটকে কেন্দ্র করে গত ৬ জানুয়ারি শ্রীবরদী পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তারাকান্দি মহিলা মার্কেটে চায়ের দোকানে ‘হ্যাঁ ভোট দিলে ১৬ ডিসেম্বর থাকবে না, ২৬ মার্চ থাকবে না’ ইত্যাদি বক্তব্য প্রদান করেন।
ওই ঘটনার পর শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলের বিরুদ্ধে শেরপুর জেলা জুলাই যোদ্ধা শহিদ পরিবার অ্যাকটিভ কমিটির পক্ষ থেকে জেলা রিটার্নিং অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়। লিখিত অভিযোগ ও ভিডিও অনুযায়ী ঘটনাটি সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এর ১৬ বিধির লঙ্ঘন।
আরও পড়ুন:
ওই অবস্থায় তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ করা হবে না তৎমর্মে আগামী (বুধবার, ১৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল ও বিএনপি নেতা ফজলুল হক চৌধুরী অকুলের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। তবে তাদের ঘনিষ্ঠরা জানান, নির্ধারিত তারিখে তারা লিখিতভাবে বিষয়টির ব্যাখ্যা দেবেন।
এ ব্যাপারে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারক তনিমা রহমান বলেন, ‘নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে শেরপুর-৩ আসনে সংসদ সদস্য প্রার্থীসহ দুজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। তাদের জবাবের প্রেক্ষিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এর আগে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শেরপুর-২ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কায়েসকে শোকজ করা হয়।





