মাহফুজ আলম বলেন, ‘আমি ইয়জ্যুয়ালি বাসা থেকে বের হই না শহিদ ওসমান হাদির শাহাদাতের পরে। কারণ সিকিউরিটি কনসার্ন। আপনারা বলতে পারেন আপনার সঙ্গে সিকিউরিটি কোথায়? সিকিউরিটি কনসার্ন আছে কারণ আমরা সত্য বলেছি এবং এজন্য মন্ত্রণালয়ের শেষ চার মাস আমাকে কোনো কাজ করতে দেয়া হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘অল্প কিছু লোকের সুবিধার জন্য গণঅভ্যুত্থান হয়নি। সবার পরিবর্তনের জন্য হয়েছে। সেজন্য সংস্কার দরকার। বিদেশ থেকে টাকা আনাতো দূরের বিষয়, দেশেই দালালরা সম্পদ গড়েছে, মিডিয়া চালাচ্ছে, সে সবের কোনো পরিবর্তন হয়নি। রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে পরিবর্তন হবে না। তিনি অভিযোগ করেন, শেষ চার মাস আমাকে কাজ করতে দেয়া হয়নি। আমরা রাষ্ট্র সংস্কার করতে পারিনি। পুরাতন বন্দোবস্তের লোকদের বহাল রেখে নতুন কাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব নয়।’
আরও পড়ুন:
এসময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া অনেকেই ভূতের মতো উল্টো পথে হাঁটা শুরু করেছে, নতুন বন্দোবস্তের কথা বলে অনেকেই পুরনো দলের সাথে আঁতাত করে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেছেন মাহফুজ আলম।
সম্পদের পুনর্বণ্টনের ওপর গুরুত্বারোপ করে মাহফুজ আলম বলেন, ‘যদি জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর চুক্তি হয়, তাহলে কেন বিপরীতমুখী কথা বলা হচ্ছে। রাজনৈতিক সমঝোতা হচ্ছে ক্ষমতা কাঠামোর পুনর্বিন্যাস। সম্পদের পুনর্বণ্টন জরুরি, জমির বণ্টন নিয়ে কোনো কাজ করা হয়নি।’
একই অনুষ্ঠানে ইনসাফের সমাজ বিনির্মাণে দলাদলি পরিহার করে সবাইকে এক হয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী করে আনার আহ্বান জানিয়ে এনসিপির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘এই চ্যালেঞ্জের দায়িত্ব তরুণদেরই নিতে হবে। গণভোটে হ্যাঁ ভোট জয়ী না হলে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার সম্ভব হবে না।’
এসময় ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে সাগর রুনির হত্যার বিচারের মতো টালবাহানা না করে দ্রুত বিচারের দাবী জানান বক্তারা।





