বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন মাহমুদুর রহমান মান্না

মাহমুদুর রহমান মান্না
মাহমুদুর রহমান মান্না | ছবি: এখন টিভি
0

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ (রোববার, ১১ জানুয়ারি) তার আপিল আবেদনের শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে মান্নার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব, জ্যোতির্ময় বড়ুয়াসহ একাধিক আইনজীবী।

শুনানি শেষে সৈয়দ মামুন মাহবুব সাংবাদিকদের বলেন, ‘বগুড়া-২ আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তা খুবই খেলো কারণে নাগরিক ঐক্যের সভাপতির মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। দুটি গ্রাউন্ডে মনোনয়ন বাতিল করা হয়।’

মামলার তথ্য গোপন এবং এফিডেভিডে সইয়ের তারিখে গড়মিল দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘মান্নার নামে যে দুটি মামলার কথা বলা হয়েছিল, সেগুলো ফাইনাল রিপোর্ট হয়েছে। ফলে তিনি কখনোই অভিযুক্ত ছিলেন না। আর এফিডেভিডে সইয়ের তারিখে যে সামান্য গড়মিল ছিল, সেটি একটি মামুলি ভুল, যা নির্বাচন কমিশনের গ্রহণ করার কথা। কমিশন আমাদের যুক্তি গ্রহণ করেছে এবং আপিল মঞ্জুর করেছে। এখন মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ আসনের বৈধ প্রার্থী।’

এরই মধ্যে ঢাকা-১৮ আসনে মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে তিনি ঢাকা-১৮ ও বগুড়া-২; দুটি আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:

এর আগে গত ২ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে বগুড়ার রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছিলেন। তখন তিনি তিনটি কারণ উল্লেখ করেন— এফিডেভিডে আইনজীবী ও প্রার্থীর সইয়ের তারিখে অমিল, মামলার কাগজপত্র না দেয়া এবং সম্পদের বিবরণীতে ত্রুটি।

এদিকে এবারের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। শনিবার শুরু হওয়া এসব আপিল শুনানি চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শনি, রোব ও সোমবার অনুষ্ঠিত ২১০টি আপিল শুনানির রায়ের অনুলিপি সোমবার পাওয়া যাবে। আপিল নিষ্পত্তি শেষে ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত হবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা এবং ২১ জানুয়ারি প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে গণভোটও অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এএম