সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে চারজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। শেষ মুহূর্তে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিবের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক সরদার মুজিব নামে পরিচিত এসএম মুজিবুর রহমানের মনোনয়ন ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর সঠিক না পাওয়ায় বাতিল করা হয়।
এ আসনে আরও মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মো. ইয়ারুল ইসলাম (বাংলাদেশ কংগ্রেস), মো. ইজ্জত উল্লাহ (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), জিয়াউর রহমান (জাতীয় পার্টি), মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল), শেখ মো. রেজাউল করিম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) ও এসএম মুজিবুর রহমান (স্বতন্ত্র)।
সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে সাতজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। জাতীয় পার্টির রুহুল আমীন হাওলাদার গ্রুপের প্রার্থী শেখ মাতলুব হোসেন লিয়নের দলীয় মনোনয়নপত্র সঠিক না থাকায় তা বাতিল করা হয়।
এখানে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মুহাম্মদ আব্দুল খালেক (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. আব্দুর রউফ (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল), মো. আশরাফুজ্জামান (জাতীয় পার্টি), জিএম সালাউদ্দীন (আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি), মো. ইদ্রিশ আলী (বাংলাদেশ জাসদ), শেখ মাতলুব হোসেন লিয়ন (জাতীয় পার্টি), মুফতি রবিউল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) ও শফিকুল ইসলাম সাহেদ (লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি)।
আরও পড়ুন:
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনে আটজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে চারজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষর সঠিক না হওয়ায় বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. শহিদুল আলম, এসএ আসফউদ্দৌলা খান ও আসলাম আল মেহেদীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোঃ ওয়ায়েজ কুরুনীর মনোনয়নপত্র সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল।
এ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন হাফেজ মুহাম্মদ রবিউল বাসার (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. আলিফ হোসেন (জাতীয় পার্টি), কাজী আলাউদ্দীন (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল), এসএ আসফউদ্দৌলা খান (স্বতন্ত্র), মো. শহিদুল আলম (স্বতন্ত্র), আসলাম আল মেহেদী (স্বতন্ত্র), রুবেল হোসেন (বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি-বিএমজেপি) ও মো. ওয়ায়েজ কুরুনী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে তিনজনের মনোনয়ন বৈধ এবং চারজনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। ১ শতাংশ ভোটারের তথ্য সঠিক না থাকা, দলীয় মনোনয়নপত্রে ত্রুটি এবং ঋণ খেলাপির কারণে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
এ আসন থেকে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় জাতীয় পার্টির মো. আব্দুর রশীদ, রুহুল আমিন হাওলাদারের স্বাক্ষর নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত না হওয়ায় জাতীয় পার্টির হুসেইন মুহাম্মদ মায়াজ, ঋণ খেলাপী থাকায় গণ অধিকার পরিষদের (জিওপি) এইচ এম গোলাম রেজা এবং মোট ভোটারের এর ১ শতাংশ স্বাক্ষর না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আব্দুল ওয়াহেদের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে।
এ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন জিএম নজরুল ইসলাম (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. আব্দুর রশিদ (জাতীয় পার্টি), মো. মনিরুজ্জামান (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল), হুসেইন মুহাম্মদ মায়াজ (জাতীয় পার্টি), এইচএম গোলাম রেজা (গণঅধিকার পরিষদ-জিওপি), এসএম মোস্তফা আল মামুন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) ও মো. আব্দুল ওয়াহেদ (স্বতন্ত্র)।
জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আফরোজা আখতার জানান, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও আইনানুগভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। আপিলের সুযোগ শেষে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।





