তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দের জোয়ার

৩০০ ফিটের সমাবেশস্থলে নেতাকর্মীদের ভিড় | ছবি: এখন টিভি
0

তারেক রহমানের জন্য প্রস্তুত মঞ্চ, অপেক্ষায় পুরো দেশ। ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার। এমন অবস্থায় একদিন আগেই ৩০০ ফিটের সমাবেশস্থলে ভিড় করছেন অনেকেই। বলছেন, ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে ও নির্বাচনি দিক-নির্দেশনা পেতেই মুখিয়ে আছেন তারা।

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসানের ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বাকি মাত্র একদিন। উপলক্ষ্য যখন তারেক রহমানের দেশের মাটিতে ফিরে আসা, তখন নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বসিত হবেন, স্বাভাবিক।

কুয়াশামাখা মধ্যরাতে ৩০০ ফিটের সমাবেশস্থলে নেতাকর্মীদের ভিড়। যাদের স্লোগানে, উৎসবের আমেজে পৌষের শীতেও যেন উষ্ণতা ছড়াচ্ছে।

ঐতিহাসিক এ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার। মঞ্চ প্রস্তুত, চারপাশে নির্দিষ্ট দূরত্বে বাঁশ দিয়ে করা হয়েছে সীমানা নির্ধারণ। নির্দিষ্ট দূরত্বে বসানো হয়েছে মাইক। তবে আনুষাঙ্গিক যেটুকু কাজ রয়েছে তা বাকি সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে, বলছেন আয়োজকরা।

রংপুর থেকে আসা একজন বিএনপি কর্মী বলেন, ‘আগামী ২৫ তারিখে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটা ইতিহাস রচিত হবে। আমরা রংপুর থেকে এসেছি। এরই মধ্যে অন্যান্য জেলা থেকেও আমাদের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ আসা শুরু করেছে।’

আরও পড়ুন:

মহাসমাবেশ ও তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দেয়ার একদিন বাকি থাকলেও আগেভাগেই বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা এসেছেন ঢাকায়। বলছেন, ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে ও আগামীর দিক-নির্দেশনা নিতেই মুখিয়ে আছেন তারা।

অন্য জেলা থেকে আসা একজন বিএনপি কর্মী বলেন, ‘বর্তমানে শতকরা ৮০ ভাগ লোক বিএনপির ওপর আস্থা রাখছে। তারেক রহমান দেশে ফিরলে ৯৫ শতাংশ লোকই বিএনপিকে সমর্থন করবে।’

প্রান্ত থেকে কেন্দ্র। নির্বাচনের আগে দলের অন্যতম শীর্ষ নেতার ফেরাকে দেখছেন ইতিবাচকভাবেই। সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ হবে বলে মনে করছেন নেতা-কর্মীরা।

কর্মীদের মধ্যে কজন বলেন, ‘৩১ দফা কর্মসূচি ইনশাআল্লাহ সফল হবে। আমরা এটা রে রাখতে পারলে বাংলাদেশে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়ার সুনাম অক্ষুণ্ণ থাকবে।’

নির্বাসিত জীবন শেষে তারেক রহমানের ফেরাকে স্মরণীয় করতে বিন্দুমাত্র কমতি রাখতে চান না বিএনপিসহ এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো।

এসএস