জুলাইয়ের শুরু থেকে শিক্ষার্থীদের যে আন্দোলন আগস্টে গিয়ে দানা বেঁধেছিলো গণঅভ্যুত্থানে, তা দমনে সব শক্তিই নিয়োগ করেছিলো আওয়ামী সরকার। বেসরকারি হিসাবে, বলপ্রয়োগের সে ঘটনায় নিহত প্রায় ৯শ' মানুষ।
এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে যখন দেশে বিদেশে চলছে নানা আলোচনা তখন আসলে কী ঘটেছিলো এই দুই মাসে সে তদন্ত শুরু করতে ৫ দিন ধরে বাংলাদেশ সফর করছেন জাতিসংঘের ফাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের টেকনিক্যাল টিম।
আজ (মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই দলটি প্রথমবার বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে। বৈঠক শেষে জাতিসংঘের সফররত এই দলটির প্রধান জানান, তদন্ত শুরু করতে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়াই পেয়েছেন তারা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে জানানো হয়, জাতিসংঘের কারিগরি এ দলটি প্রাথমিকভাবে ২ মাসের ঘটনার তথ্য প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, তারা এ তদন্ত সহায়তা করতে জাতিসংঘের দলটিকে সহায়তা করতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, 'আমরা তাদেরকে জানিয়েছে যেকোনো ব্যাপারে তাদেরকে সহায়তা করা হবে। এছাড়া তাদেরকে রিকুয়েস্ট করা হয়েছে যেন বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পরিমাণে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে পুলিশ, আর্মিসহ বিভিন্ন বাহিনী যেতে পারে।'
এর আগে এই উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে মূলত কৃষি ও বন্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে অবস্থান করা ৯ হাজার চীনা নাগরিকের নিরাপত্তা নিয়েও কথা বলেছেন।