জাহিদুল ইসলাম বলেন, 'কোনো অন্যায়ের কাছে মাথানত করা যাবে না। এছাড়া ইসলামি ছাত্রশিবিরকে সকলের জন্য, দেশের জন্য, সারা পৃথিবীর জন্য রহমত হয়ে উঠতে হবে।'
তিনি বলেন, 'একটি ফ্যাসিবাদী পরিবেশ থেকে বাংলাদেশের মানুষ মুক্ত হয়েছে। রমজান শুধুমাত্র রোজা রাখা নয়, এটা একটি মুসলিম সংস্কৃতি। বিগত সময়গুলো থেকে এবারের ঈদ কিছুটা ব্যতিক্রম। অনেক রক্ত ও জীবন এবং দীর্ঘ ত্যাগের বিনিময়ে ইসলামি ছাত্রশিবির আজকের এ জায়গায় এসেছে।'
তিনি আরো বলেন, 'এবার ঈদে মোগল আমলের সংস্কৃতি ফিরে এসেছে। ঈদের যে আনন্দ, এটা মূলত সেই ৫ আগস্টেই শুরু হয়েছে। সেইদিন এদেশের মানুষের মধ্যে যে আনন্দ উচ্ছ্বাস পতিপলিত হয়েছে, সেটা রাজপথ থেকে প্রত্যেক জায়গায় সাধারণ মানুষের চোখে-মুখে লক্ষ করা গেছে।'
শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, 'গণভবন মুক্ত হওয়ার পর এদের মানুষ সিজদায় গিয়ে এবং মহান আল্লাহ দরবারে হাত তুলে শুকরিয়া আদায় ও আনন্দ প্রকাশ করেছে। সেদিনই ফ্যাসিবাদী পরিবেশ থেকে বাংলাদেশের মানুষ মুক্ত বাতাসে তাদের নিঃশ্বাস নিতে পেরেছে। এর চেয়ে বড় আনন্দের কী হতে পারে। এটা আমাদের একক কোনো কৃতিত্ব নয়, এটা মহান আল্লাহ তায়া’লার একান্ত দান।'
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনটির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, মাদ্রাসা বিষয়ক সম্পাদক আলাউদ্দিন আবিদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূইয়া, অ্যাড. এ এস এম কামাল উদ্দিন, ফেনী জেলা আমির মাওলানা মুফতি আবদুল হান্নান, নায়েবে আমির অধ্যাপক আবু ইউসুফ, সেক্রেটারি আবদুর রহিম, সহকারি সেক্রেটারি অ্যাড.জামাল উদ্দিন, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার এস এম তানভীর উদ্দিন।