বাজার
দেশে এখন

জমজমাট ফরিদপুরের পশুর বাজার

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে গবাদি পশু পরিচর্যায় শেষ মুহুর্তে ব্যস্ত সময় পার করছেন ফরিদপুরের খামারিরা। জেলায় এবছর চাহিদার চেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত রয়েছে। তবে, সবার নজর জেলার সেরা ওজনদার গরু সুলতান ও বাহাদুরের দিকে। হাট কাঁপাতে ইতোমধ্যেই প্রস্তুত সুলতান ও বাহাদুর।

আদরে লালন করা বিশালাকার ষাঁড় গরু দুটির নাম রাখা হয়েছে সুলতান ও বাহাদুর। ওজন, আকৃতি ও সৌন্দর্যে তারা নজর কেড়েছে সবার। এরইমধ্যে জেলার সেরা গরু হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে তাদের দেখতে আসছেন ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা।

সাড়ে তিন বছর বয়সী সুলতানের ওজন ২৮ মণ এবং একই বয়সী বাহাদুরের ওজন ২৭ মণ। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালন পালন করা হয়েছে গরু দুটিকে। সুলতানের দাম চাওয়া হচ্ছে ২৫ লাখ টাকা আর বাহাদুরের দাম চাওয়া হচ্ছে ২২ লাখ। এছাড়াও খামারে রয়েছে বিভিন্ন ওজনের গরু এবং খাসি।

তাহেরা এগ্রো ফার্মসের ম্যানেজার আকবর হোসেন বলেন, 'ফার্মের অবস্থা ভালো আমরা এই ঈদের জন্য ১শ’ এর মতো গরু প্রস্তুত করেছি।'

জেলায় এবছর ছোট বড় ৮ হাজার ৮শ’ ২৯ টি খামারে কোরবানি উপলক্ষে ১লাখ ৩৫ হাজার ৭শ' ৯৮ টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলার চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৪শ’ ৫ টি। উদ্বৃত্ত পশু বিভিন্ন জেলার চাহিদা পূরণ করবে।

ফরিদপুরের জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সঞ্জীব কুমার বিশ্বাস বলেন, 'আমরা নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও আমরা অন্য জেলায় দিয়ে তাদের চাহিদাও পূরণ করতে পারবো।'

প্রাকৃতিক উপায়ে পালিত গরুর চাহিদা বেশি ক্রেতামহলে।

ইএ

এই সম্পর্কিত অন্যান্য খবর