দেশে এখন
পঞ্চগড়ে  ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেটসহ আটক ৩
পবিত্র রমজানে বিভিন্ন স্থানে চলছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান। এই সুযোগে বেড়েছে প্রতারকদের দৌরাত্ম। ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট সেজে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার অভিযোগে পঞ্চগড়ে  তিন ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। তারা বাংলাদেশ কনজুমার রাইটস সোসাইটির পঞ্চগড় জেলা শাখার নেতা।

মাইক্রোবাস নিয়ে পঞ্চগড়ের প্রত্যন্ত গ্রামের বাজারে হঠাৎ ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে চার থেকে পাঁচজন কর্মকর্তা। দোকান ও হোটেলগুলোতে চালাচ্ছে অভিযান। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে করা হচ্ছে জরিমানা। রমজানে এমনিভাবে সুযোগ নিচ্ছে প্রতারকচক্র। বাংলাদেশ কনজুমার রাইটস সোসাইটি পঞ্চগড় জেলা শাখার ১০ সদস্যের একটি দল এভাবেই গ্রামেগঞ্জের সহজ সরল মানুষদের বোকা বানিয়ে আসছে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা শহরে স্যামসাং শোরুমের তৃতীয় তলার বাংলাদেশ কনজুমার রাইটস সোসাইটি নামের কার্যালয় থেকে এই চক্রের ৩ জনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের সংগঠনের আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়। 

আটককৃতরা হলেন, বাংলাদেশ কনজুমার রাইটস সোসাইটি পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি মফিজুল ইসলাম (৫২), সহসভাপতি আমিনুল ইসলাম (৪৭) ও সাধারণ সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম (৪৫)। 

তিনজনের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের ভূমিকা পালন করতেন আমিনুল ইসলাম। 

ভুক্তভোগিরা জানায়, বাংলাদেশ কনজুমার রাইটস সোসাইটি পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি ও সম্পাদকসহ কমিটির এই ১০ সদস্য বিভিন্ন স্থানে নিজেদের ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা ও জরিমানা আদায় করে আসছিলেন।

মঙ্গলবার দুপুরে একই কায়দায় মাইক্রোবাস নিয়ে তারা অভিযানের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার সময় তাদের ৩ জনকে আটক করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর পঞ্চগড়ের সহকারী পরিচালক শেখ সাদী। পরে তাদের পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের হাতে হস্তান্তর করা হয়। 

আটককৃতদের বিরুদ্ধে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। 

ইএ