আজ (শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ‘১৩ ফেব্রুয়ারির সকালটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ‘‘শুভ সকাল’’ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। গণতান্ত্রিক নবযাত্রায় এ নির্বাচন জাতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে। নির্বাচন কমিশনের একটাই কমিটমেন্ট ছিল। সেটি হচ্ছে, নির্মোহভাবে আইন প্রয়োগ করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়া। সেই লক্ষ্যেই শতভাগ চেষ্টা করা হয়েছে। কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকলে তা অনিচ্ছাকৃত। এ নির্বাচন শুধু একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব ছিল না, বরং একটি পবিত্র আমানত হিসেবে কমিশন তা গ্রহণ করেছিল।’
আরও পড়ুন:
দেশবাসীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণ ঈদ উৎসবের মতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। এর ফলে সব আশঙ্কা ও শঙ্কা দূর হয়েছে এবং জাতি হিসেবে বাংলাদেশ বিজয়ী হয়েছে।’
নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক, প্রশাসনের সদস্য, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা, বিএনসিসির শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। সমাপনী বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র যেন কখনোই নির্ধারিত রেলপথ থেকে বিচ্যুত না হয় এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো নির্বাচনের দৃষ্টান্ত স্থাপনের প্রত্যাশাও জানান তিনি।





