বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত লাখ লাখ মিয়ানমার নাগরিককে মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে এক মারাত্মক সংকটের মুখোমুখি রয়েছে।’
তিনি এ সংকটের স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। বিশেষ দূত জুলি বিশপ বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে জানান যে, সংঘাত বন্ধ করা এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ও কূটনীতি অব্যাহত রেখেছেন।
বৈঠকে সীমান্ত অঞ্চলে ল্যান্ডমাইনের আধিক্য, মানব ও মাদক পাচার এবং এর আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও স্বেচ্ছায় নিজ মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংলাপ ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ তৈরির ওপর বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সাক্ষাতকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেজনিয়াক, সিনিয়র পলিটিক্যাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার ডানকান কিথ উইলসন, ইউএনএইচসিআর-এর উপ-প্রতিনিধি জুলিয়েট মুরেকিয়সোনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।





