ধানমণ্ডি লেক রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকার মাঝেও এক টুকরো সবুজ আর জলরাশির অপার সৌন্দর্য, যা প্রশান্তি এনে দেয় নাগরিক জীবনে। তাইতো প্রতিদিনই এখানে ছুটে আসেন নগরবাসীরা। কেউ হাঁটতে, কেউ শরীরচর্চায়, আবার কেউ পরিবার নিয়ে কিছুটা স্বস্তির সময় কাটাতে।
কিন্তু দীর্ঘদিনের দূষণ, ময়লা-আবর্জনা, পলিথিন আর নানা ধরনের বর্জ্যে লেকের পানি হারিয়েছে স্বাভাবিক সৌন্দর্য। কোথাও কোথাও কমেছে পানির গভীরতাও।
এ অবস্থায় লেকের পরিবেশ ও নান্দনিকতা ফিরিয়ে আনতে শুরু হলো আড়াই বছর মেয়াদি পুনঃখনন ও সংস্কার কার্যক্রম। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী লেকের বিভিন্ন অংশের জমে থাকা পলি ও বর্জ্য অপসারণ, পানির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি আধুনিকায়ন করা হবে ওয়াকওয়ে।
এছাড়া ‘নজরুল সরোবর’ নামে সাংস্কৃতিক চর্চাকেন্দ্র এবং শৌচাগার নির্মাণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
জলাধার শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাতেও গুরুত্বপূর্ণ। জলাধার সচল থাকলে বৃষ্টির পানি ধারণ, স্থানীয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে। তাই পুনঃখননের পাশাপাশি দূষণের উৎস বন্ধ করা এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান সড়কমন্ত্রী।
নগরায়নের চাপে ঢাকার জলাধার যখন একের পর এক হারিয়ে যাচ্ছে, তখন ধানমন্ডি লেককে পুনঃখনন ও সংস্কারের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন নগরবাসী।





