তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চান। হাসপাতাল যদি সরকারি হয়, সেটা কখনোই সাংগঠনিক বা ব্যক্তিগত ফান্ড দিয়ে কন্টিনিউ পরিচালনা করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। অবশ্যই সরকারের সরাসরি এখানে সম্পৃক্ত থাকতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি চিকিৎসাসেবার মান নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায় তাহলে তাদের নির্মূল করা হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের নতুন ভবনে সেবা চালুর বিষয়ে আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছেন। আশা করি শিগগিরই আমরা নতুন বহুতল ভবনে সেবা চালু করতে পারবো। চালু করতে না পারলে এই কমিটির সভাপতি এক সেকেন্ড থাকারও ইচ্ছে আমার নেই। বাইপাস সড়ক ও রেলের ভালো বগির জন্য আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের অনুরোধ করেছি সেগুলোও বাস্তবায়ন হবে।’
এসময়, সরকারি হাসপাতালে বিত্তবান থেকে দিনমজুর সবাই যেন সমান সুযোগ সুবিধা পায় সেজন্য তিনি সিভিল সার্জনসহ চিকিৎসকদের নির্দেশ দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীন, পুলিশ সুপার আবু সাইম, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমানসহ বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।





